এই দেশ ত্যাগ করতে চায় ১৬ কোটি ৫১ লক্ষ জনগনই, সুযোগের অভাবে মুসলমানরা এই দেশ ত্যাগ করতে পারছে না।
হিন্দুদের সুযোগ আছে ভারতে যাওয়ার, কিন্তু ১৫ কোটি মুসলমানকে ঠাঁই দিবে এমন রাষ্ট্র কই?
এই দেশ ত্যাগ করতে চায় ১৬ কোটি ৫১ লক্ষ জনগনই, সুযোগের অভাবে মুসলমানরা এই দেশ ত্যাগ করতে পারছে না।
হিন্দুদের সুযোগ আছে ভারতে যাওয়ার, কিন্তু ১৫ কোটি মুসলমানকে ঠাঁই দিবে এমন রাষ্ট্র কই?
জনাব কাজী নজরুল ইসলাম, দেখে যান আজ থেকে অর্ধশতাধীক বৎসর পূর্বে আপনি যে হিন্দু-মুসলমানকে একত্রিত করতে চেয়েছিলেন তাদের মাঝে আজও মহাকালের দূরত্ব। #দূরত্ব #কাজীনজরুলইসলাম #বছর #হিন্দু #মুসলমান #মহাকাল
সাদামাটা কথায় কবিতা হয় না…
আর দুর্বোধ্য কবিতা শিহরণ জাগাতে পারে না…
তাই সহজ ভাষায় বলি-
গাহি সাম্যের গান…
অধর্ম কবে এনেছে শান্তি…?
এক করেছে হিন্দু-মুসলমান…?
চিনবে সে কেমনে শান্তির পথ…
যে শোনে নি বেদবাণী…
পড়ে নি যে পাক কোরআন…
এ দেশে নজরুল বিদ্বেষীর অভাব নেই, কিন্তু নজরুলে বিদ্বেষী হওয়ার কারন কী অনেকে তাই খুঁজে পাচ্ছে না? আসুন দেখে নিন আমি কী কী কারনে নজরুলে বিদ্বেষী।।
১) আমি যখন খাঁটি মুসলমানঃ লোকটা কাফের, নইলে কি আর হিন্দু মহিলারে বিয়ে করতো? শ্যামা সঙ্গীত, কৃষ্ণকে নিয়ে গান, নিজের ছেলের নাম কৃষ্ণ রাখত?
২) আমি যখন খাঁটি হিন্দুঃ ওরে, মুসলমানের ব্যটা মাকে নিয়ে গান করেতো মায়ের জাতটাই খুইয়ে দিলো গো…
৩) আমি যখন নাস্তিকঃ
খাটি ধর্মান্ধ, ইসলামী সঙ্গীত কি কখনো শান্তি আনতে পারবে? নাকি শ্যামা সঙ্গীত পারবে?
এসব করে লোকটা নিজের দুই নাম্বারীই প্রমান করেছে।
৪) আমি যখন বাংলাদেশীঃ ওতো ভারতীয়, বাংলাদেশেতো ওর বাড়ী না। আমরা হুদাই ওরে নিয়া বাড়াবাড়ি করি ক্যান?
৫) আমি যখন ভারতীয়ঃ ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি, আমাদের কী?
৬) আমি যখন রবীন্দ্রভক্তঃ ও ছোড়া কি লিখতে পড়তে জানতো নাকি? গুরুজির কয়েকটা লেখা চুরি করে নিজের নামে ছাপিয়েছে।
৭) আমি যখন রবীন্দ্র বিদ্বেষীঃ শুনেছি রবীন্দ্রনাথের সাথে নাকি নজরুলের খুব ভাব ছিল, দুইটাই বজ্জ্বাতের হাড্ডি।
৮) আমি যখন নারী বিদ্বেষীঃ হালায় কয় কি! পৃথিবীর অর্ধেক নাকি নারী বানাইছে? পাগল না হইলে এমন কথা কেউ কয়?
৮) আমি যখন নারীবাদীঃ নার্গিসকে বিয়ে করেও অধীকার দেয় নাই, শুধু তাই না তার অনুমতি ছাড়াই সে প্রমীলাকে বিয়ে করেছে।
৯) আমি যখন ব্রিটিশঃ হালায় আমগোর বিরুদ্ধে কবিতা লিখছে, জেলে ভর হালারে।
১০) আমি যখন ব্রিটিশ বিদ্বেষীঃ হালায় বৃটিশের পক্ষ হইয়া যুদ্ধ করছে, খাঁটি বৃটিশ।
১১) আমি যখন আওয়ামীলীগঃ জামায়াতের এজেন্ট, জামায়াতের সব অনুষ্ঠানেই ওর গান বাজে।
১২) আমি যখন বিএনপিঃ জয় বাংলাতো মুজিবরে এই হালায়ই শিখাইছে, হালায় খাঁটি আওয়ামীলীগ।
১৩) আমি যখন ধনী শ্রেণির লোকঃ লোকটা দারিদ্র নিয়া লিখছে, আমগোরে নিয়া কিছু লেখে নাই।
১৪) আমি যখন দরিদ্রঃ ফাইজলামী করে! দারিদ্র মহান বানাইছে? ঐ একবার আইয়া দেখ আমার ঘরে… কত কষ্টে দিন কাটে।
১৫) আমি যখন ছাত্রঃ এই হালারে এতো কঠিন কথা লিখতে কে কইছে? কিচ্ছু বুঝি না।
১৬) আমি যখন বাসের হেলপারঃ এই লোকটা “আমরা হেলপারের দল” নামে কোন কবিতা লিখতে পারতো না? তাইলেতো প্রতিদিন ছাত্রদের হাতে মাইর খাইতে হইতো না। ওর কবিতার জোরেইতো ছাত্ররা ৪ টাকার ভাড়া ২ টাকা দেয় আবার মাইরও দেয়।
এমনটা ভাবার কোন কারন নাই যে মার্ক ফেসবুক না বানাইলে পৃথিবী স্যোসাল ইঞ্জিন কী জিনিস তা জানতেই পারতো না। সত্য হলো এই যে ফেসবুকেরও আগে মাইস্পেস, হাই ফাইভ তৈরী হইছে।
শুধু তাই না, ২০০৭ সাল পর্যন্ত তালিকায় মাইস্পেস ছিল ১ নাম্বারে আর হাই ফাইভ ছিল দ্বিতীয়। পরবর্তীতে ফেসবুক দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং বাকীটা আপনার-আমার সকলেরই জানা।
তো এর থেকে কী বোঝা গেল?
এর থেকে বোঝা গেল এই যে, প্রকৃতি যখন যেটার প্রয়োজনীয়তা অনুভব তখন তা নিয়ে নানাভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। একটার পর একটা আপডেট নিয়ে আসতে থাকে, ফাইনালি আমরা সর্বশেষ সংস্করণটাকেই মনে রাখি আর পায়রা, হরকরাদের ভুলে যাই।
আমরা কাবাডি-গোল্লাছুট ভুলে গিয়ে ফুটবল-ক্রিকেটকেই মনে রাখতে পারি শুধু, জুয়েলদের ভুলে শুধু মাশরাফিদের মনে রাখি, দ্রাবিড়-আর্য ভুলে হিন্দু-মুসলমান মনে রাখি।
আদমকে ভুলে শুধু নিজেকেই মনে রাখি।
এক লোক পোষ্ট দিছে “হিন্দু কোন রাজাকার নাই”, সেখানে আরেক লোকের মন্তব্য “কোন বঙ্গবন্ধুও নাই, বীরশ্রেষ্ঠও নাই”।
দুইটাই সত্য।
হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ একটি সাম্প্রদায়িক সংগঠন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ এর পথে প্রথম বাঁধা।