আবার বসন্ত আসার আগে-
প্যালেস্টাইন স্বাধীন হওয়ার আগে-
কিংবা পৃথিবীর শেষ যুদ্ধটা শেষ হওয়ার আগে-
যেন কোন কবির মৃত্যু না হয়,
যেন কোন শিশুর মৃত্যু না হয়।
এতোটুকু যদি করতে না পারো,
তাহলে তুমি ঈশ্বরের পদ ছেড়ে দাও।
আবার বসন্ত আসার আগে-
প্যালেস্টাইন স্বাধীন হওয়ার আগে-
কিংবা পৃথিবীর শেষ যুদ্ধটা শেষ হওয়ার আগে-
যেন কোন কবির মৃত্যু না হয়,
যেন কোন শিশুর মৃত্যু না হয়।
এতোটুকু যদি করতে না পারো,
তাহলে তুমি ঈশ্বরের পদ ছেড়ে দাও।
স্বাধীনতা বনাম মিথ্যাচার,
এ লড়াই চলবে কত আর!
ছেলেটির নাম ছিল স্বাধীন, কোনও একদিন ছাত্রলীগের- স্বাধীনতাকামীরা তাকে অধীকার করে নিল। সেই থেকে তার মা স্বাধীনতাহীন, সেই থেকে একটি দেশ এক দুঃখী মায়ের আবাসস্থল।
একটি বাক্যের শেষে প্রশ্ন বোধক চিহ্ন,
কবে পাবো স্বাধীনতা?
দুয়ারে এসেছে ভিখারী।
ডাকিছে তোমায়,
দ্বার খোল হে স্বাধীনতা।
রমজানে একটাই মোর চাওয়া হে খোদা,
বাঙ্গালীরে দাও স্বাধীনতা।
একদিন-
একটি চিল আসবে,
বসবে ছোট্র জামরুলের-
ডালে, তার জন্য প্রতীক্ষা সকলের।
সোনালী ডানার চিল।।
তার সেই ডানায়,
আঁকা থাকবে স্বাধীনতার মানচিত্র।।
আমি কোনদিন রাষ্ট্র ক্ষমতা হাতে পেলে রানী এলিজাবেথ এর কাছে বেঁচে দিব, চুতিয়া মার্কা স্বাধীনতার চেয়ে নিরাপদ পরাধীনতাই শ্রেয়।
মাথার উপর যে পতাকা তোলা…
তার ছায়া দেখো পায়ের তলা…
এতো লাফালাফি যে স্বাধীনতা নিয়ে…
পাও কিনা তা খুঁজে দেখো…
দাদনদারের কাছে গিয়ে…
কানাডাকে ডাকিয়া কহে বাংলাদেশ,
রানীর অধীন, তবু তো আছো বেশ!
আমাদের আছে স্বাধীনতা নামক এক বাল,
তাহা লইয়াই পরাধীন জীবন কাটাইলাম সারা কাল।