আবার বসন্ত আসার আগে-
প্যালেস্টাইন স্বাধীন হওয়ার আগে-
কিংবা পৃথিবীর শেষ যুদ্ধটা শেষ হওয়ার আগে-
যেন কোন কবির মৃত্যু না হয়,
যেন কোন শিশুর মৃত্যু না হয়।
এতোটুকু যদি করতে না পারো,
তাহলে তুমি ঈশ্বরের পদ ছেড়ে দাও।
আবার বসন্ত আসার আগে-
প্যালেস্টাইন স্বাধীন হওয়ার আগে-
কিংবা পৃথিবীর শেষ যুদ্ধটা শেষ হওয়ার আগে-
যেন কোন কবির মৃত্যু না হয়,
যেন কোন শিশুর মৃত্যু না হয়।
এতোটুকু যদি করতে না পারো,
তাহলে তুমি ঈশ্বরের পদ ছেড়ে দাও।
ছেলেটির নাম ছিল স্বাধীন, কোনও একদিন ছাত্রলীগের- স্বাধীনতাকামীরা তাকে অধীকার করে নিল। সেই থেকে তার মা স্বাধীনতাহীন, সেই থেকে একটি দেশ এক দুঃখী মায়ের আবাসস্থল।
“দেশ স্বাধীন করেছিল গ্রাম্য চাষা ভুষা মানুষজন, বেশীরভাগ শহুরে মানুষ শহর ছেড়ে পালিয়ে গ্রামে আশ্রয় নিয়েছিল” এতোটুকুর পক্ষে অনেক দলিল আছে।
গ্রাম্য চাষা ভুষা মানুষ তথাকথিত সেক্যুলারিজম কী তা জানে না, আগেও জানতো না, এখনও জানে না;
তারা অন্যায়-শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল, সেক্যুলার রাষ্ট্র পয়দা করার চেতনা তাদের ছিল না।
আজ যারা মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের সম্পত্তি বানিয়ে ফেলছেন; তারা ইতিহাস নিয়ে মিথ্যাচার করছেন, আর কে না জানে মিথ্যবাদীরা ঘৃণ্য!
আমাকে যেকোন প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দিব। তবে-
আমার সম্বন্ধে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
আপনার সম্বন্ধে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
অন্য কারো সম্বন্ধে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
দেশ সম্বন্ধে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
ভিনদেশ সম্বন্ধে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
ধর্ম সম্বন্ধে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
অধর্ম সম্বন্ধে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
রাজনৈতিক কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
অরাজনৈতিক কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
৩০শে এপ্রিল ফোটেনি যে বোমা…
সে বোমা ফোটানোর সময় এসেছে…
আগস্ট মাস, এ মাসটি এলেই মনে হয় এ যেন মুজিব মৃত্যুর মাস…. টিভি, পত্রিকা, রেডিও, পথ-ঘাট সর্বত্র মুজিবিয় স্লোগান…. অথচ…. এ মাস প্রফুল্লের…. এ মাস ক্ষুদিরামের…
মুজিব হত্যাকারীদের বিচার হয়েছে, এ নিয়ে আর মাতামাতিরও কিছু নেই…. তিতুমীর, ক্ষুদিরাম, প্রফুল্ল, সূর্য সেনদের হত্যাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত এ জাতি কি আদৌ স্বাধীনতা ভোগ করতে পারবে?
স্বাধীন হতে চাই ধুয়ে মুছে সব রক্ত…. রক্ত দিয়ে….
ছেলেটির নাম ছিল স্বাধীন…
কোনও একদিন ছাত্রলীগের…
স্বাধীনতাকামীরা তাকে অধীকার করে নিল…
সেই থেকে তার মা স্বাধীনতাহীন…
সেই থেকে একটি দেশ এক দুঃখী মায়ের আবাসস্থল…