তব তৃষ্ণায় বুক ফেটে যায় সখি,
তুমি কবে বৃষ্টি হয়ে ঝড়বে আমার গায়?
আকুল হয়ে বসে আছি তোমার প্রতীক্ষায়।
#তৃষ্ণা #সখি #বৃষ্টি #প্রতীক্ষা
তব তৃষ্ণায় বুক ফেটে যায় সখি,
তুমি কবে বৃষ্টি হয়ে ঝড়বে আমার গায়?
আকুল হয়ে বসে আছি তোমার প্রতীক্ষায়।
#তৃষ্ণা #সখি #বৃষ্টি #প্রতীক্ষা
বৃষ্টির শেষে রামধনুর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে তোমাকে বার্তা পাঠাবো।
সে চিঠিতে লেখা থাকবে ভালোবাসি ভালোবাসি।
সখি, বিরহের এ প্রহর ক্ষণিকের-
এই মহামারি কেটে যাবে,
তোমার শহরে হুড খোলা রিক্সায়-
ভিজবো দু’জন ঝুম বৃষ্টিতে।
আকাশটা ঘোলাটে লাগছে বেশ, বোধহয় বৃষ্টি হবে।
এ বসন্তে বৃষ্টি হবে ভাবতে কেমন যেন লাগছে!
বসন্তে বৃষ্টি মানেই প্রকৃতির অনিয়ম, প্রকৃতি যখন অনিয়ম করে তখন তা খুব ভয়ঙ্কর হয়।
তাই মনে খুব ভয় হচ্ছে, আমার দুঃশ্চিন্তিত চেহারা দেখে ঝর্ণা ভয় পেয়ে ডান বাহুটা আলতো করে জড়িয়ে ধরে বললঃ কি হলো জান? হঠাৎ এমন দুঃশ্চিন্তিত লাগছে কেন তোমাকে?
আমি বললামঃ কেমন যেন বর্ষা বর্ষা লাগছে না? বসন্তে বর্ষা খুব খারাপ।
হঠাৎ করেই ঝর্ণা আমার হাত ছিটকে দিয়ে বললঃ আমি এইটুকুই জানতে চেয়েছিলাম, বর্ষাপুর সাথে তোমার কী রিলেশন শুনি?
উনি তোমার সব ব্যপারে নাক গলান কেন? আর তুমিই বা তাতে বাঁধা দাও না কেন? কই? কি হলো? উত্তর দাও!
ঝর্ণা বলেই যাচ্ছে আর বলেই যাচ্ছে… আমার কানে তা যেন প্রবেশ করছে নাম আমি আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবছি…
“বসন্তে বর্ষা খুব ভয়ঙ্কর…”
প্রিয়তমেষু বৃষ্টি,
এসেছো যখন বদনাম তো হয়েছেই, থেকে যাও তবে আমার ঘরে।
– জয় কল্যাণীয়েষু
প্রিয়তমেষু সুপ্রিয়া,
তীব্র বাসনা ছিল কোনও এক বৃষ্টি স্নাত সন্ধ্যায় খোঁপায় গুঁজে দিয়ে মালতী ফুল তোমাকেই দেখবো সারা নিশী…
– জয় কল্যানীয়েষু
যদি জানতে…
কেন হাতখানা খালি…
এসে হাত রাখতে হাতে…
বৃষ্টি বইতো উথালি-পাথালি…
আমার মত এমন শান্ত ছেলে কোথাও পাবে নাকো,
তাই বলছি নিজের তরেই আমার ছবি তোমার মনে আঁকো।
তুমি বললেই সামলে নেবো সিনেমা দেখার লোভ,
তোমার কথায় মাটি দেবো বৃষ্টি ভেজার ক্ষোভ।
তোমার জন্য জলাঞ্জলি নচিকেতার সব গান,
তোমার কথায় সারা শহর ধরবো নিজের কান।
তোমার জন্য জীবনানন্দের সাথে দেবো আড়ি,
তুমি বললেই আর যাবো না সুলেখাদের বাড়ী।
বইয়ের মাঝে পড়ে রবো, তুমি যদি বলো,
হাজার বছর চলতে পারি, যদি সাথে চলো।