তোমাকে দেবী ভেবে পুজো দিতে গিয়ে দেখি
তুমি মানবী,
তোমাকে মানবী ভেবে ঘর বাঁধতে গিয়ে দেখি
তুমি ছবি,
তোমাকে ছবি ভেবে দেয়ালে টাঙ্গাতে গিয়ে দেখি
তুমি কেবলই আমার মনের কল্পনা।
তোমাকে দেবী ভেবে পুজো দিতে গিয়ে দেখি
তুমি মানবী,
তোমাকে মানবী ভেবে ঘর বাঁধতে গিয়ে দেখি
তুমি ছবি,
তোমাকে ছবি ভেবে দেয়ালে টাঙ্গাতে গিয়ে দেখি
তুমি কেবলই আমার মনের কল্পনা।
আয়া সোফিয়া যেদিন অর্থোডক্স থেকে ক্যাথলিক গীর্জায় রুপান্তর হয় সেদিন সেখানে উপস্থিত কে যেন বলে উঠেছিলেন, “এভাবেই একদিন এখানে মসজিদ হবে”।
যেদিন আয়া সোফিয়া সত্যি সত্যি মসজিদ হলো সেদিন ঐ একই ব্যাক্তিকে আবার দেখা গেলো, তিনি সেদিন বললেন, “এখানেই একদিন হনুমানের পুজো হবে”।
২৫ শে ফেব্রুয়ারী, দিল্লীতে সেই একই ব্যাক্তিকে আবার দেখা গেলো, তিনি আজ বললেন, “কাল যদি এখানেই বুদ্ধ তাঁর আস্তানা গাড়েন, তখনও আমি এখানে থাকব; দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে থাকবে আমার নীরব প্রতিবাদ।”
ভালবাসা চাইনাকো আর ভালবাসতে চাইনা,
তোমার জন্য একটুক্ষন ও রাত জাগিতে চাইনা।
উপোষ করে তোমার জন্য শুভ কামনা,
এখন আমার ভিষণ ক্ষিধে উপোষ পারিনা।
হিঁদুর ছেলে নইকো আমি মন্দিরে যাই তবু,
ঢের হয়েছে এমনটা, আর হবেনা কভূ।
গঙ্গার জলে কত যে পুজোয় ঢেলেছি জবা ফুল,
আজ এসেনা বুঝলাম আমি সব হয়েছে ভুল।
হিঁদুর ঘরে যায়না যাওয়া, বন্ধ দরজা বেদ’এ,
সব দরজা বন্ধ এখন কি লাভ হবে কেঁদে।
তাই কাঁদিনা, রাত জাগিনা, বাসিনা তোমায় ভাল,
সন্ধ্যা হলো ঠাকুর ঘরে সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বালো।
মসজিদে যাই আযান হলো, নামাজ পড়ি গিয়ে,
তোমায় ভুলে থাকতে চাই আমার আমি নিয়ে।
স্বপ্ন বাড়ী যাবে পুজোর ছুটিতে…
ছুটিহীন শহরে স্বপ্ন ভাঙ্গে…
অপেক্ষা বাড়ে পুজোর…