Tag: নদী

  • নদী

    আমি নদী, আমারও সুরমার মত অজস্র নাম, অজস্র শাখা, অজস্র বাঁক।

  • তিতাস

    তিতাসের রঙ্গিলা হাওয়া-
    লাগিয়ে গায়ে‌,

    চলছে গাড়ী এঁকেবেঁকে-
    ডানে-বাঁয়ে।

  • বেদনা

    হৃদয় খুঁড়ে ভালোবাসা বের করে নিয়ে-
    সেখানে ঢেলে দিলে এক সুদীর্ঘ বেদনার নদী,
    প্রিয়তমেষু আমার, তোমার দেয়া এ বেদনা
    আমি পরম ভালোবাসায় রাখবো মৃত্যুবধী।
    
    #হৃদয় #ভালোবাসা #নদী #প্রিয়তমেষু #বেদনা #মৃত্যু #দশকিয়া #চতুর্বেদ
  • পাহাড়, ঝর্ণা, নদী ও সাগরের গল্প

    মেয়েটির নাম নদী,
    পাহাড়কে ধোঁকা দিয়ে
    সে নিজেকে সঁপেছে সাগরের কাছে।
    তারই দুঃখে পাহাড় কেঁদে যায়,
    তোমরা তাকে ঝর্ণা বলো।

  • আব্বু তুমি কান্না করছো যে

    হে মানবতার কান্ডারী, “আব্বু তুমি কান্না করছো যে” ক্যাম্পেইন এর মহান ভক্ত-সমর্থকবৃন্দ বিগত বছরগুলিতে যে কয়েক দিন পর পর হাত-পা বাঁধা, চোখ উপড়ে ফেলা, শত টুকরো হয়ে যাওয়া লাশগুলো নদীর ধারে, রেল লাইনে, এখানো-ওখানে ফেলে রাখত বাসা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে, তখনও কি তোমার হৃদয় এমন করেই কেঁদেছিল নাকি তুমিও চুতিয়ার দলের লোক?

  • তোমার দেয়া আমার কোন নাম ছিল না

    নদীর ওপারে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ, নদীর কোল ঘেঁষে দুয়েকটা বাড়ী-ঘর।
    আমি যখন গোসল করতে নদীতে যেতাম, অথবা মন খারাপের বিকেলগুলো নদীর সাথে কাব্য করতাম, তখন ওপার থেকে একটা মেয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে আমাকে দেখতো।

    শেষের দিকে মেয়েটার সাহস বেড়ে যায়, আর লুকিয়ে নয়, প্রকাশ্যে তাকিয়ে থাকে আমার দিকে। ততদিনে খেলা শেষ পর্যায়ে, আমি তল্পিতল্পা গুছিয়ে নিচ্ছি। মেয়েটা আমাকে বলেছিল “ফতুয়াওয়ালা, ভুলে যেও না।”, ফতুয়াওয়ালা নামটা মনে ধরলেও আমি তাকে দেয়ার মত কোন নাম খুঁজে পাই নি, তাকে মনেও রাখি নি আমি।

    আমার মত একজন বাউন্ডুলের কাউকে মনে রাখা সম্ভব না, প্রচন্ড অভিমানে সে অর্ণবকে বললো “ওহে গায়েন, আমায় একটা নামহীন গান লিখে দাও না!”।

    তার জন্য অর্ণব গান বাঁধলো-
    তোমার দেয়া আমার কোন নাম ছিল না, নাম ছিল না।

  • মায়াবতী ও ঝড়ের গল্প

    আজ তোমাদের একজন মায়াবতী ও ঝড়ের গল্প শোনাব,
    সে অনেক বছর আগের কথা, এক ভরা পূর্ণিমা রাতে আমি আর সে এক নদীর ধারে বসে গল্প করছি।
    গল্প করছি বলাটা ভুল হবে, পূর্ণিমায় জলে জোয়ার আসে, সে জোয়ারের জলে চাঁদ ছড়িয়ে পড়েছে চারিদিক।
    তার মুখে জলের তরঙ্গ, আমি সেই তরঙ্গে নৌকা বাইছি আর তার গল্প শুনছি।
    আমার গল্প জুড়ে যেমন তার কথা বলছি, তেমনি তার গল্প জুড়ে ছিল স্বর্গীয় দাদা ঠাকুর। আমার খুব মনে আছে সে বলছিল রোজ রাতে দাদা তার সাথে দেখা করেন, অথচ দাদার সৎকারের দিন আমি ছিলাম। দূর থেকে দেখেছি, কাছে যাওয়ার মত অতটা ভাল তখনো বেসে উঠতে পারি নি।
    আগেই বলেছি চারিদিক পূর্ণিমায় ভরপুর, কিন্তু হঠাৎ সব অন্ধকার হয়ে আসে। প্রচন্ড ঝড় শুরু হয়, যেন ঈস্রাফিলের সিঙ্গায় হুঙ্কার বেজে উঠেছে, এই বুঝি শেষ হলো দুনিয়ার সব খেলা।
    তান্ডব শেষ হতে হতে সকাল হয়ে গেছে, ছিলাম নদীর ধারে এসে পড়েছি এক জন কোলাহলে। কিন্তু এই কোলাহলের ভিতর তাকে খুঁজে পাচ্ছি না, তন্নতন্ন খুঁজেও পাই নি আর।
    তারপর গেছে অনেক বছর, কত শত নারীর ঠোঁটের হাসিতে বিক্রী করেছি হৃদয়ের জমিন, তা হিসেব করে বলা যাবে না; দুনিয়ার নিয়মে ভুলে গেছি তাকে।
    কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে মাঝ রাতে যখন জলের তেষ্টা পায়, ঘুমের ঘোরে জল চাইতেই সে ত্রিপয়া থেকে গ্লাসটা তুলে দেয়, আমি জল পান করে আবার শুয়ে পড়ি।
    বা কখনো বই পড়তে পড়তে অগোছালো ভাবে ঘুমিয়ে গেলে সে ঠিকঠাক বালিশে মাথাটা পৌঁছে দেয়, চাদরটা গায়ে তুলে দেয়। আমি ঘুমের ঘোরেই তার হাতের স্পর্শ টের পাই, নিশ্বাস এসে কানে সুড়সুড়ি দেয়।
    তারপর ঠিক রাত তিনটায়, সেই রাতের দুঃস্বপ্নে ঘুম ভাঙ্গে। আমার স্পষ্ট মনে আছে সে রাতের ঝড়টা শুরু হয়েছিল ঠিক তিনটায়, পরে জেনেছি সেদিনের ইত্তেফাকের ৪ নম্বর পাতার প্রথম কলামে।
    হাতড়ে চশমাটা ঠিক ত্রিপয়ার উপর পাই, অথচ ঘুমাবার সময় আমি পাশের বালিশের উপর রেখেছিলাম ওটাকে, জলের গ্লাসটাও ঠিকঠাক শুণ্য।
    আজকাল আমি অনেকটা দ্রুত শুয়ে পড়ি, যদি তারে আরেকটু কাছে পাই!

  • একটি নগণ্য দুপুর চেয়েছি

    একটা দুপুরই তো চেয়েছি তোমার কাছে,
    শান-শওকত তো আর চাই নি।
    স্রোতস্বিনী নদী বা উন্মত্ত সাগর চাই নি,
    পর্বতরূপ প্রেমও চাই নি হে প্রিয়তমা।

    তোমার কাছে একটি নগণ্য দুপুর চেয়েছি,
    আমার ক্লান্ত, ঘামে ভেজা হৃদয় দেখাবো বলে।
    আমার বাগানের কনকতারার কলি দেখাবো বলে।।

  • ভুল

    মতাদর্শ ভিন্ন যদি,
    ক্যামনে বাইলা প্রেমের নদী?
    ক্যামনে সঁপিলা অন্তর?
    ভুল মানুষের প্রেমে নয়,
    ভুল ছিল মন তোর…