হে দারিদ্র, জানি না কি আছে মোদের,
কেন ছাড়ছো না তুমি এ বঙ্গবাসীর পিছু।
Tag: দারিদ্র
-
দারিদ্র
-
দুঃসাহস
দাড়ি-কমাহীন দারিদ্রতার মাঝে বেড়ে ওঠা আমার প্রেম………
সর্বোচ্চ তোর চোখের দিকে তাকানোর সাহস রাখে……..
তোকে ছুঁয়ে দেখা…. দুঃসাহস……..
তোকে ভালবেসে আমি সেই দুঃসাহসটাই দেখাবো………. -
আমি কী কী কারনে নজরুলে বিদ্বেষী
এ দেশে নজরুল বিদ্বেষীর অভাব নেই, কিন্তু নজরুলে বিদ্বেষী হওয়ার কারন কী অনেকে তাই খুঁজে পাচ্ছে না? আসুন দেখে নিন আমি কী কী কারনে নজরুলে বিদ্বেষী।।
১) আমি যখন খাঁটি মুসলমানঃ লোকটা কাফের, নইলে কি আর হিন্দু মহিলারে বিয়ে করতো? শ্যামা সঙ্গীত, কৃষ্ণকে নিয়ে গান, নিজের ছেলের নাম কৃষ্ণ রাখত?
২) আমি যখন খাঁটি হিন্দুঃ ওরে, মুসলমানের ব্যটা মাকে নিয়ে গান করেতো মায়ের জাতটাই খুইয়ে দিলো গো…
৩) আমি যখন নাস্তিকঃ
খাটি ধর্মান্ধ, ইসলামী সঙ্গীত কি কখনো শান্তি আনতে পারবে? নাকি শ্যামা সঙ্গীত পারবে?
এসব করে লোকটা নিজের দুই নাম্বারীই প্রমান করেছে।৪) আমি যখন বাংলাদেশীঃ ওতো ভারতীয়, বাংলাদেশেতো ওর বাড়ী না। আমরা হুদাই ওরে নিয়া বাড়াবাড়ি করি ক্যান?
৫) আমি যখন ভারতীয়ঃ ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি, আমাদের কী?
৬) আমি যখন রবীন্দ্রভক্তঃ ও ছোড়া কি লিখতে পড়তে জানতো নাকি? গুরুজির কয়েকটা লেখা চুরি করে নিজের নামে ছাপিয়েছে।
৭) আমি যখন রবীন্দ্র বিদ্বেষীঃ শুনেছি রবীন্দ্রনাথের সাথে নাকি নজরুলের খুব ভাব ছিল, দুইটাই বজ্জ্বাতের হাড্ডি।
৮) আমি যখন নারী বিদ্বেষীঃ হালায় কয় কি! পৃথিবীর অর্ধেক নাকি নারী বানাইছে? পাগল না হইলে এমন কথা কেউ কয়?
৮) আমি যখন নারীবাদীঃ নার্গিসকে বিয়ে করেও অধীকার দেয় নাই, শুধু তাই না তার অনুমতি ছাড়াই সে প্রমীলাকে বিয়ে করেছে।
৯) আমি যখন ব্রিটিশঃ হালায় আমগোর বিরুদ্ধে কবিতা লিখছে, জেলে ভর হালারে।
১০) আমি যখন ব্রিটিশ বিদ্বেষীঃ হালায় বৃটিশের পক্ষ হইয়া যুদ্ধ করছে, খাঁটি বৃটিশ।
১১) আমি যখন আওয়ামীলীগঃ জামায়াতের এজেন্ট, জামায়াতের সব অনুষ্ঠানেই ওর গান বাজে।
১২) আমি যখন বিএনপিঃ জয় বাংলাতো মুজিবরে এই হালায়ই শিখাইছে, হালায় খাঁটি আওয়ামীলীগ।
১৩) আমি যখন ধনী শ্রেণির লোকঃ লোকটা দারিদ্র নিয়া লিখছে, আমগোরে নিয়া কিছু লেখে নাই।
১৪) আমি যখন দরিদ্রঃ ফাইজলামী করে! দারিদ্র মহান বানাইছে? ঐ একবার আইয়া দেখ আমার ঘরে… কত কষ্টে দিন কাটে।
১৫) আমি যখন ছাত্রঃ এই হালারে এতো কঠিন কথা লিখতে কে কইছে? কিচ্ছু বুঝি না।
১৬) আমি যখন বাসের হেলপারঃ এই লোকটা “আমরা হেলপারের দল” নামে কোন কবিতা লিখতে পারতো না? তাইলেতো প্রতিদিন ছাত্রদের হাতে মাইর খাইতে হইতো না। ওর কবিতার জোরেইতো ছাত্ররা ৪ টাকার ভাড়া ২ টাকা দেয় আবার মাইরও দেয়।
-
উদ্যোক্তা
দেশে যে পরিমান টাকা অলস পড়ে আছে তা কার লোন, বিয়ে লোনে না দিয়ে উৎপাদন খাতে সহজ ঋণ দিলে দেশে হাজার হাজার উদ্যোক্তা তৈরী হতো।
কমে আসতো বেকার আর দারিদ্রের সংখ্যা, কিন্তু যাদের কাছে টাকাগুলা আছে তারা তা নাইজেরিয়ায় বা সুইস ব্যাঙ্কে পাঠাতে ব্যস্ত। -
সত্য বলিতে খাড়া আছে ওই শুধু এক শয়তান
নৌকা উঠছে সড়কে এইটুকু আছে ঠিক,
যায় না যেনো নরকে হারাইয়া দিক।নৌকার সড়কে ওঠা শুভ লক্ষণ না, সড়কে রিক্সা-টেম্পু চলার নিয়ম। নিয়ম ভাঙ্গারও নিয়ম থাকে, যেমন কাজী নজরুল নিয়ম ভাঙ্গার গান গেয়েছিলেন, আবার নজরুলের মত আশরাফ খানও নিয়ম ভাঙ্গার গান গেয়েছিলেন।
কিন্তু নজরুল শেষাব্ধী দারিদ্রকে মহান বানিয়ে ছেড়েছেন আর আশরাফ আফিম খেয়ে দারিদ্রকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে চলে গেছেন ওপারে।
আশরাফ খানের এই মাঝ পথে থেমে যাওয়ার কারন ছিল তিনি যে নিয়ম ভাঙ্গার গান গেয়েছেন সেই নিয়ম তিনি শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন নাই।
আওয়ামীলীগ মওলানাকে অবজ্ঞা করে যে সড়কে নৌকা বাইছে তা আশরাফ আলী খানের মত আত্মহত্যায় সমাপ্ত হবে নাতো?
“মিথ্যা জগত মিথ্যা মানুষ মিথ্যা সে ভগবান
সত্য বলিতে খাড়া আছে ওই শুধু এক শয়তান।”- কবি আশরাফ আলী খান