Tag: ঠোঁট

  • ভালোবাসা

    লাভ ম্যারেজ বলতে আমরা যা বুঝি আসলে তা ইমোশনাল ম্যারেজ। ভালোবাসার বিয়ে বলে আদতে তেমন কিছু নাই, এই জন্যই দেখবেন তথাকথিত লাভ ম্যারেজে প্রচুর ডিভোর্স হয়।

    দুইজন মানুষ দূরে থেকে ১০০ বছর প্রেম করলেও তাদের ভিতরে ভালোবাসা তৈরী হয় না, আবেগ আর দায়বদ্ধতা তৈরী হয় মাত্র।

    সত্যিকার ভালোবাসা তৈরী হয় বিয়ের পর, লাভ ম্যারেজ ও এরেঞ্জ ম্যারেজ, উভয় সংসারই শুরু হয় ভালোবাসার শুন্য পাত্র দিয়ে।

    যখন দুজন মানুষ পাশাপাশি থাকতে শুরু করে, লুঙ্গি পরা পেট মোটা পুরুষটার ঘর্মাক্ত শরীরের গন্ধ যখন নারী আপন করে নিতে শুরু করে-

    মেকআপ বিহীন, উকুন ভর্তি এলোমেলো চুল, শরীর ভর্তি চুলার ধোঁয়ার গন্ধ, মশলার গন্ধ, পান খেয়ে লাল হওয়া মুখে সুপারি জর্দার গন্ধ একজন পুরুষ আপন করে নিতে শুরু করে-

    ভালোবাসা ঠিক সেখান থেকে শুরু হয়।

    সুচিবায়ুগ্রস্থ একটা মানুষ যখন একই টাওয়াল শেয়ার করতে শুরু করে, ঘুম ভাঙ্গার পর নিজের মুখে দুর্গন্ধ আছে জেনেও অপরজনের দুর্গন্ধ মাখা মুখে যখন ঠোঁট ভিজিয়ে চুমু খেতে শুরু করে-

    ভালোবাসা ঠিক সেখান থেকে শুরু হয়।

    এর আগে আপনি যতই ভালোবাসেন বলে মনে করেন না কেন, আপনি এখনো সত্যিকার ভালোবাসা শুরু করেননি।

    আপনি এখনো জানেন না, আপনি মানুষটাকে সত্যি ভালোবাসতে পারবেন কিনা।

  • কার্বন ডাইঅক্সাইডের ঢেউ

    মিসেস ঘুমায়, আমি জেগে-
    জেগে পাহারা দেই।
    তার কপালে চুমু খাই,
    ঠোঁটে দেই কার্বন ডাইঅক্সাইডের ঢেউ।
    
    শিট! কী করছি আমি!
    হে পৃথিবীবাসী তোমরা যেন
    দেখো নি কিছু কেউ।
    
    #মিসেস #ঘুম #পাহারা #কপাল #চুমু #ঠোঁট #কার্বনডাইঅক্সাইড #ঢেউ #পৃথিবী #দশকিয়া #সপ্তর্ষী
  • ঠোঁট

    ঠোঁট খেতে মন চাইছে, আইসক্রিম কামড়ে খাওয়ার মত করে-
    গোলাপের মত রক্তাক্ত নরম উষ্ণ রমণীয় ঠোঁট,
    যে ঠোঁটে থাকবে একাধারে এ্যাস্প এর বিষাক্ততা-
    ও জমজমের বিশুদ্ধতার মাখামাখি।
    
    #ঠোঁট #চতুর্বেদ #দশকিয়া #আইসক্রিম #গোলাপ #রক্তাক্ত #রমণী #এ্যাম্প #বিষাক্ত #জমজম #বিশুদ্ধ
  • অধরা

    প্রিয়তমেষু অধরা,
    সর্বহারা এই ঠোঁটের কথা তুমি একদিন ভুলেই যাবে; তখন তোমার এই গোলাপী অধর ঘুরে বেড়াবে কোন পুঁজিপতির চুরুট আর শিশ্নতে।

  • সখি

    সখি,
    লিপস্টিকে না হয় ঠোঁট লুকালে,
    চোখ লুকালে রোদ চশমায়,
    মন লুকাবে কিসে!

    #সখি #লিপস্টিক #ঠোঁট #চোখ #চশমা #মন

  • ফাঁকি

    তোমার ঠোঁটে এঁকে দিব কলঙ্ক, তারপর সখি-
    দেখব কি করে দেও ফাঁকি?

  • হৃদয় ছুঁয়ে দেখলে না!

    আমার হাত ছুঁয়ে দেখলে,
    কপাল-ঠোঁট তা’ও ছুঁয়ে দেখলে,
    সখি, একবার হৃদয় ছুঁয়ে দেখলে না!

  • সাধ

    সাধ ছিল একবার তোমায় ছুঁয়ে দেখব……
    অন্ধকারাচ্ছন্ন রাত্রির নেয় কৃষ্ণকায় চোখ……
    ধনুকের মত বাঁকা হাসি……
    আর মায়াময় নগ্ন হাত……

    সাধ ছিল একবার তোমার স্বাদ নেব…….
    মুক্ত দানার মত চোখের নোনা জল…..
    বুকের মৃদু ঘামের গন্ধ……
    আর ভুবন ভোলানো ঠোঁট……..

    সাধ ছিল একবার তোমায় স্বপ্নে দেখব……
    বিশাল সমুদ্রের পাড়ে শুধু তুমি আর আমি…..
    অসীম আকাশে উড়ন্ত চিল…..
    আর ঝর্ণার জলে চপলা হরিণী…….

  • মায়াবতী ও ঝড়ের গল্প

    আজ তোমাদের একজন মায়াবতী ও ঝড়ের গল্প শোনাব,
    সে অনেক বছর আগের কথা, এক ভরা পূর্ণিমা রাতে আমি আর সে এক নদীর ধারে বসে গল্প করছি।
    গল্প করছি বলাটা ভুল হবে, পূর্ণিমায় জলে জোয়ার আসে, সে জোয়ারের জলে চাঁদ ছড়িয়ে পড়েছে চারিদিক।
    তার মুখে জলের তরঙ্গ, আমি সেই তরঙ্গে নৌকা বাইছি আর তার গল্প শুনছি।
    আমার গল্প জুড়ে যেমন তার কথা বলছি, তেমনি তার গল্প জুড়ে ছিল স্বর্গীয় দাদা ঠাকুর। আমার খুব মনে আছে সে বলছিল রোজ রাতে দাদা তার সাথে দেখা করেন, অথচ দাদার সৎকারের দিন আমি ছিলাম। দূর থেকে দেখেছি, কাছে যাওয়ার মত অতটা ভাল তখনো বেসে উঠতে পারি নি।
    আগেই বলেছি চারিদিক পূর্ণিমায় ভরপুর, কিন্তু হঠাৎ সব অন্ধকার হয়ে আসে। প্রচন্ড ঝড় শুরু হয়, যেন ঈস্রাফিলের সিঙ্গায় হুঙ্কার বেজে উঠেছে, এই বুঝি শেষ হলো দুনিয়ার সব খেলা।
    তান্ডব শেষ হতে হতে সকাল হয়ে গেছে, ছিলাম নদীর ধারে এসে পড়েছি এক জন কোলাহলে। কিন্তু এই কোলাহলের ভিতর তাকে খুঁজে পাচ্ছি না, তন্নতন্ন খুঁজেও পাই নি আর।
    তারপর গেছে অনেক বছর, কত শত নারীর ঠোঁটের হাসিতে বিক্রী করেছি হৃদয়ের জমিন, তা হিসেব করে বলা যাবে না; দুনিয়ার নিয়মে ভুলে গেছি তাকে।
    কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে মাঝ রাতে যখন জলের তেষ্টা পায়, ঘুমের ঘোরে জল চাইতেই সে ত্রিপয়া থেকে গ্লাসটা তুলে দেয়, আমি জল পান করে আবার শুয়ে পড়ি।
    বা কখনো বই পড়তে পড়তে অগোছালো ভাবে ঘুমিয়ে গেলে সে ঠিকঠাক বালিশে মাথাটা পৌঁছে দেয়, চাদরটা গায়ে তুলে দেয়। আমি ঘুমের ঘোরেই তার হাতের স্পর্শ টের পাই, নিশ্বাস এসে কানে সুড়সুড়ি দেয়।
    তারপর ঠিক রাত তিনটায়, সেই রাতের দুঃস্বপ্নে ঘুম ভাঙ্গে। আমার স্পষ্ট মনে আছে সে রাতের ঝড়টা শুরু হয়েছিল ঠিক তিনটায়, পরে জেনেছি সেদিনের ইত্তেফাকের ৪ নম্বর পাতার প্রথম কলামে।
    হাতড়ে চশমাটা ঠিক ত্রিপয়ার উপর পাই, অথচ ঘুমাবার সময় আমি পাশের বালিশের উপর রেখেছিলাম ওটাকে, জলের গ্লাসটাও ঠিকঠাক শুণ্য।
    আজকাল আমি অনেকটা দ্রুত শুয়ে পড়ি, যদি তারে আরেকটু কাছে পাই!