Tag: জীবনানন্দ দাশ

  • প্রতীক্ষা

    প্রেমিকাদের জন্য প্রেমিকদের-
    এক অফুরন্ত প্রতীক্ষা, হোক-
    সে জীবনানন্দ দাশ, রফিক আজাদ
    বা অখ্যাত জয় কল্যাণ।

    #চতুর্বেদ #দশকিয়া #প্রেমিকা #প্রেমিক #প্রতীক্ষা #জীবনানন্দদাশ #রফিকআজাদ

  • জাত-জালিয়াত

    জাতে উঠতে ধর্ম ছাইড়া হইলাম মুনাফেক,
    ওঠার পরে শুনি লালন কয়-
    জাত-পাত সব ফেক!

    নজরুল নামের এক হারামজাদা
    আমারে কয় বজ্জাত!
    একবার হাতের কাছে পাই শালারে,
    ঘুসিয়ে ফেলবো সব দাঁত।

    জাতের কবি জীবন বাবু,
    শুধালাম তারে দাদা –
    জাতের কোনও মন্ত্র দাও না!
    সে’ও দেখি উল্টো পথে-
    আমারে কয় জাত! সে আবার কী রে গাধা!

    এখন মান-সম্মান বাঁচাতে পারেন –
    কেবলই কবি গুরু,
    গুরুও বলেন- জাতে উঠতে চাস! কেমন মগজ রে তোর!
    মানুষ নাকি গরু?

    উপয়ান্তর না পেয়ে রওয়ানা দিলাম-
    কপোতাক্ষের পাড়ে,
    এখন আমাকে একমাত্র মধু বাবুই
    সঠিক দিশা দিতে পারে।

    পাশে বসাইয়া বাবু মাথায় রাখিয়া হাত,
    কহিলেন- বাপু, ভুলিয়া যাও সব মিথ্যা জাত-পাত।

    মেথর কি কুলি, হও না নাপিত-ধোপা,
    তাতে কিছু যায় আসে না রে বোকা।

    আপনারে তুমি ছুঁয়েই দেখো না-
    আপন হাত দিয়া,
    নাম কী তোমার জিজ্ঞেস করে দেখো,
    তোমার নামই উত্তর দিবে হিয়া।

  • তুমি বললেই

    আমার মত এমন শান্ত ছেলে কোথাও পাবে নাকো,
    তাই বলছি নিজের তরেই আমার ছবি তোমার মনে আঁকো।

    তুমি বললেই সামলে নেবো সিনেমা দেখার লোভ,
    তোমার কথায় মাটি দেবো বৃষ্টি ভেজার ক্ষোভ।

    তোমার জন্য জলাঞ্জলি নচিকেতার সব গান,
    তোমার কথায় সারা শহর ধরবো নিজের কান।

    তোমার জন্য জীবনানন্দের সাথে দেবো আড়ি,
    তুমি বললেই আর যাবো না সুলেখাদের বাড়ী।

    বইয়ের মাঝে পড়ে রবো, তুমি যদি বলো,
    হাজার বছর চলতে পারি, যদি সাথে চলো।

  • কবিত্ব

    জীবনানন্দ ট্রামকে ভয় পেতেন, ট্রাম দূর্ঘটনায় মৃত্যুর কথা ভাবতেন তিনি।

    অপর দিকে নজরুল আশংকা করতেন বাঁশি থেমে যাওয়ার, রবীন্দ্রনাথ নজরুলকে প্রায়ই বলতেন “দেখ উন্মাদ তোর জীবনে শেলীর মত, কীটসের মত খুব বড় একটা ট্র্যাজেডি আছে-তুই প্রস্তুত হ”।

    তাদের এই যে আগাম জানতে পারাটাই কবিত্ব।

  • দেখছি তারে অন্তরে

    দুই চোক্ষে দেখি নাই, দেখছি তারে অন্তরে,
    জীবু’দা যেমন দেখছিল বনলতার মুখ আন্ধারে।

  • আবার আসিও ফিরে

    শুদ্ধতম কবি,
    কবে ফিরবা? তোমার লাইগা হাজার বছর অপেক্ষা করোনের মত অতো ধৈর্য্য কই কও?

  • কবি আত্মহত্যা করেন নাই।

    যেই কবি হাজার বছর হাঁইট্টা এই বাংলায় শান্তি খুঁজেন, আবার জন্মাইতে চান শালিক, প্যাঁচা হইয়া, সেই কবি “আত্মহত্যা করছেন” এই কথার লগে যেই সব যুক্তি দাঁড় করা হইছে বা দাঁড় করা যায় তা ভোঁতা।