Tag: জাতীয়

  • একটা চা বাগান যেন গোটা বাংলাদেশ

    একটা ব্যাঙ ধরা পড়েছে সাপের মুখে, কিন্তু সাপটা ঠিক মতো কামড় বসাতে পারে নি। অবস্থা এখন এমন, যদি সে ব্যাঙটাকে ছেড়ে দিয়ে ভালো করে ধরতে চায়, তাহলে ব্যাঙ পালিয়ে যাওয়ার যথেষ্ট সময় পাবে।

    এমতাবস্থায় দু’জন ওভাবেই মধ্যবর্তী অবস্থানে পড়ে থাকে, একজন পথিক যখন পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন দু’জনই তার কাছে সমাধান চাইলে তিনি-

    সাপকে বললেন – খাইতে চাইলে ছাড়ো।

    আর ব্যাঙকে বললেন – বাঁচতে চাইলে মরো, অর্থাৎ এমন ভান করো যেন তুমি মারা গেছো, তাতে সাপ বিভ্রান্ত হয়ে তোমাকে ছেড়ে দিবে ভালো করে ধরার জন্য।

    আওয়ামীলীগ সরকার বরাবরই ছেড়ে দিয়ে আষ্টেপৃষ্টে গিলে থাকে, জাতীয় নির্বাচনের আগে তারা উপজেলা কিংবা সিটি নির্বাচনে বিরোধীদের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি আসনে বিজয়ী করে দেয়।

    ইনুকে খেয়ে দেয়ার আগে মন্ত্রী বানায়, ইমরানকে খেয়ে দেয়ার আগে জামাই বানায়, হেফাজতকে খেয়ে দেয়ার আগে পীর বানায়।

    তার বিপরীতে বিরোধীরা মরতে পারছে না।

    চা শ্রমিক আন্দোলনে ১২০ টাকা থেকে ১৪৫ টাকায় তুলে দিয়ে বাগান মালিক ও সরকার ছেড়ে দিলো আষ্টেপৃষ্টে ধরবে বলে, এখন প্রশ্ন হলো শ্রমিকরা মরতে পারবে কি?

    বাংলাদেশে বাস করেন অথচ এন্টিবায়োটিক খান নাই এমন মানুষ নাই বললেই চলে, এন্টিবায়োটিক হচ্ছে ঐ পথিকের ব্যঙকে দেয়া পরামর্শ, বাঁচার জন্য নিজেকে দূর্বল করে প্রতিপক্ষকে বিভ্রান্ত করা।

    আশা করি বাংলাদেশের মালিকানা ভারত ও আওয়ামীলীগের থেকে জনগন নিজের কাছে ফিরিয়ে আনবে, বাগানের মালিকানাও বাগানির হাতে আসবে।

    #বাংলাদেশ#রাজনীতি#চা#শ্রমিক#আন্দোলন

  • গুজব

    বস্তুতঃ বাংলাদেশের কোন জাতীয় কবি নাই, কিন্তু আপনি সারা জীবন জপে এসেছেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
    যেমনটা গত ১২ বছর ধরে গণতন্ত্রের জপ করে আসছেন, আদতে এগুলো সবই গুজব মাত্র।
    বিশ্বাস না হলে খোঁজ নিয়া দেখেন।

  • আমি কী কী কারনে নজরুলে বিদ্বেষী

    এ দেশে নজরুল বিদ্বেষীর অভাব নেই, কিন্তু নজরুলে বিদ্বেষী হওয়ার কারন কী অনেকে তাই খুঁজে পাচ্ছে না? আসুন দেখে নিন আমি কী কী কারনে নজরুলে বিদ্বেষী।।

    ১) আমি যখন খাঁটি মুসলমানঃ লোকটা কাফের, নইলে কি আর হিন্দু মহিলারে বিয়ে করতো? শ্যামা সঙ্গীত, কৃষ্ণকে নিয়ে গান, নিজের ছেলের নাম কৃষ্ণ রাখত?

    ২) আমি যখন খাঁটি হিন্দুঃ ওরে, মুসলমানের ব্যটা মাকে নিয়ে গান করেতো মায়ের জাতটাই খুইয়ে দিলো গো…

    ৩) আমি যখন নাস্তিকঃ
    খাটি ধর্মান্ধ, ইসলামী সঙ্গীত কি কখনো শান্তি আনতে পারবে? নাকি শ্যামা সঙ্গীত পারবে?
    এসব করে লোকটা নিজের দুই নাম্বারীই প্রমান করেছে।

    ৪) আমি যখন বাংলাদেশীঃ ওতো ভারতীয়, বাংলাদেশেতো ওর বাড়ী না। আমরা হুদাই ওরে নিয়া বাড়াবাড়ি করি ক্যান?

    ৫) আমি যখন ভারতীয়ঃ ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি, আমাদের কী?

    ৬) আমি যখন রবীন্দ্রভক্তঃ ও ছোড়া কি লিখতে পড়তে জানতো নাকি? গুরুজির কয়েকটা লেখা চুরি করে নিজের নামে ছাপিয়েছে।

    ৭) আমি যখন রবীন্দ্র বিদ্বেষীঃ শুনেছি রবীন্দ্রনাথের সাথে নাকি নজরুলের খুব ভাব ছিল, দুইটাই বজ্জ্বাতের হাড্ডি।

    ৮) আমি যখন নারী বিদ্বেষীঃ হালায় কয় কি! পৃথিবীর অর্ধেক নাকি নারী বানাইছে? পাগল না হইলে এমন কথা কেউ কয়?

    ৮) আমি যখন নারীবাদীঃ নার্গিসকে বিয়ে করেও অধীকার দেয় নাই, শুধু তাই না তার অনুমতি ছাড়াই সে প্রমীলাকে বিয়ে করেছে।

    ৯) আমি যখন ব্রিটিশঃ হালায় আমগোর বিরুদ্ধে কবিতা লিখছে, জেলে ভর হালারে।

    ১০) আমি যখন ব্রিটিশ বিদ্বেষীঃ হালায় বৃটিশের পক্ষ হইয়া যুদ্ধ করছে, খাঁটি বৃটিশ।

    ১১) আমি যখন আওয়ামীলীগঃ জামায়াতের এজেন্ট, জামায়াতের সব অনুষ্ঠানেই ওর গান বাজে।

    ১২) আমি যখন বিএনপিঃ জয় বাংলাতো মুজিবরে এই হালায়ই শিখাইছে, হালায় খাঁটি আওয়ামীলীগ।

    ১৩) আমি যখন ধনী শ্রেণির লোকঃ লোকটা দারিদ্র নিয়া লিখছে, আমগোরে নিয়া কিছু লেখে নাই।

    ১৪) আমি যখন দরিদ্রঃ ফাইজলামী করে! দারিদ্র মহান বানাইছে? ঐ একবার আইয়া দেখ আমার ঘরে… কত কষ্টে দিন কাটে।

    ১৫) আমি যখন ছাত্রঃ এই হালারে এতো কঠিন কথা লিখতে কে কইছে? কিচ্ছু বুঝি না।

    ১৬) আমি যখন বাসের হেলপারঃ এই লোকটা “আমরা হেলপারের দল” নামে কোন কবিতা লিখতে পারতো না? তাইলেতো প্রতিদিন ছাত্রদের হাতে মাইর খাইতে হইতো না। ওর কবিতার জোরেইতো ছাত্ররা ৪ টাকার ভাড়া ২ টাকা দেয় আবার মাইরও দেয়।