কবিতারাও এবড়ো-থেবড়ো হয়ে যায় প্রেমিকার মুখ আঁধার হলে,
পূর্ণিমার চাঁদও ফিকে হয়ে যায় প্রেমিকার চোখে জল আসিলে।
Tag: জল
-
প্রেমিকার মুখ
-
ধন্যবাদ
চোখের জল হয় না আর,
ফারক্কায় শুকিয়ে গেছে সব।
ধন্যবাদ হে মুজিব,
ধন্যবাদ ইন্দিরাজী।
তোমাদের দয়ায়,
কত সুখী বঙ্গবাসী আজি। -
তুমি হাসলে
তুমি হাসলে আমার পৃথিবী হয়ে ওঠে আটলান্টিকের মতো উত্তাল,
আর তুমি কাঁদলে আমার পৃথিবী আটলান্টিসের মতো হারিয়ে যায় গভীর জলে।#তুমি #হাসি #পৃথিবী #আটলান্টিক #উত্তাল #কান্না #আটলান্টিস #জল #সমুদ্র
-
তৃষ্ণা
তৃষ্ণার্ত আমি তোমাকে- এক নিমিষেই গিলে ফেলবো- বলে তৃষ্ণার সাগর বানাচ্ছি। তুমি যে আমার জমজম এর পবিত্র জল। #তৃষ্ণা #জল #জমজম #পবিত্র #সাগর #চতুর্বেদ #দশকিয়া
-
প্রেম
জগতের সব প্রেম আমার উপর ভর করুক, আমি প্রেমের জলে ডুবে মরতে চাই।
-
অমরত্ব
তোমাকে পুণ্ড্রবর্ধন থেকে পরশুরামের সেই-
অমরত্ব কুয়ার জল এনে খাইয়ে দিবো একদিন,
অমর হয়ে যাবে সখি।
তখন বুঝবে একাকীত্বের কী নিদারুণ জ্বালা।
#চতুর্বেদ#দশকিয়া#অমরত্ব#পুণ্ড্রবর্ধন#পুণ্ড্রনগর#মহাস্থান#পরশুরাম#সখি
-
কড়চা
জীবন তবু বয়ে যাবে, প্রেমিক মিলবে প্রেমিকার সাথে,
রামপাল নিয়ে রাম ছাগলের পালেরা ম্যাৎকার করবেই।
যে হাসপাতালে শহীদ কাদরী ঘুমিয়ে যাবেন-
সেই হাসপাতালেই এবরশনের বিষাক্ত থাবায়,
পৃথিবীর মুখ দেখার আগেই বিদায় নিবে কোন গর্ভ শিশু।
ফিরে আসি ফের দেশে-
এখানে বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কোন জোচ্চর মন্ত্রী বলে উঠবেন-
ভারতের দেয়া বন্যার জল দেশের জন্য আশীর্বাদ।
ঐ দিকে ইনু, পিতা. পিতা.. পিতা… বলতে বলতে মুর্ছা যাবে বারংবার,
তাই দেখে সবাই বলে উঠবে আহ! ছেলেটা কত যে পিতৃভক্ত!
টিউশনি পড়ানো যুবক স্বপ্ন দেখবে- বেতনের টাকায় বাসা ভাড়ার বকেয়া দিবে,
ছিনতাইকারী যুবক চিন্তা করবে- মক্কেল না পেলে মায়ের ঔষধ কিনতে টাকা পাবো কোথায়!
চাকুরী খোঁজা যুবক ভাববে আরেকটি মাস শেষ!
জগন্নাথে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর জয় বাংলা বলে হামলে পড়বে জয় বাংলার ছেলেরা।
কাল পত্রিকার পাতা উল্টে জানবেন-
এ মাসে সারাদেশে ধর্ষণের মামলা হয়েছে ৩৩১টি। -
মমতাময়ী
তুমি রাখলে পা, সাগর জল হয় মিষ্টি;
তুমি ওগো মমতাময়ী খোদার সেরা সৃষ্টি। -
সাধ
সাধ ছিল একবার তোমায় ছুঁয়ে দেখব……
অন্ধকারাচ্ছন্ন রাত্রির নেয় কৃষ্ণকায় চোখ……
ধনুকের মত বাঁকা হাসি……
আর মায়াময় নগ্ন হাত……সাধ ছিল একবার তোমার স্বাদ নেব…….
মুক্ত দানার মত চোখের নোনা জল…..
বুকের মৃদু ঘামের গন্ধ……
আর ভুবন ভোলানো ঠোঁট……..সাধ ছিল একবার তোমায় স্বপ্নে দেখব……
বিশাল সমুদ্রের পাড়ে শুধু তুমি আর আমি…..
অসীম আকাশে উড়ন্ত চিল…..
আর ঝর্ণার জলে চপলা হরিণী……. -
মায়াবতী ও ঝড়ের গল্প
আজ তোমাদের একজন মায়াবতী ও ঝড়ের গল্প শোনাব,
সে অনেক বছর আগের কথা, এক ভরা পূর্ণিমা রাতে আমি আর সে এক নদীর ধারে বসে গল্প করছি।
গল্প করছি বলাটা ভুল হবে, পূর্ণিমায় জলে জোয়ার আসে, সে জোয়ারের জলে চাঁদ ছড়িয়ে পড়েছে চারিদিক।
তার মুখে জলের তরঙ্গ, আমি সেই তরঙ্গে নৌকা বাইছি আর তার গল্প শুনছি।
আমার গল্প জুড়ে যেমন তার কথা বলছি, তেমনি তার গল্প জুড়ে ছিল স্বর্গীয় দাদা ঠাকুর। আমার খুব মনে আছে সে বলছিল রোজ রাতে দাদা তার সাথে দেখা করেন, অথচ দাদার সৎকারের দিন আমি ছিলাম। দূর থেকে দেখেছি, কাছে যাওয়ার মত অতটা ভাল তখনো বেসে উঠতে পারি নি।
আগেই বলেছি চারিদিক পূর্ণিমায় ভরপুর, কিন্তু হঠাৎ সব অন্ধকার হয়ে আসে। প্রচন্ড ঝড় শুরু হয়, যেন ঈস্রাফিলের সিঙ্গায় হুঙ্কার বেজে উঠেছে, এই বুঝি শেষ হলো দুনিয়ার সব খেলা।
তান্ডব শেষ হতে হতে সকাল হয়ে গেছে, ছিলাম নদীর ধারে এসে পড়েছি এক জন কোলাহলে। কিন্তু এই কোলাহলের ভিতর তাকে খুঁজে পাচ্ছি না, তন্নতন্ন খুঁজেও পাই নি আর।
তারপর গেছে অনেক বছর, কত শত নারীর ঠোঁটের হাসিতে বিক্রী করেছি হৃদয়ের জমিন, তা হিসেব করে বলা যাবে না; দুনিয়ার নিয়মে ভুলে গেছি তাকে।
কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে মাঝ রাতে যখন জলের তেষ্টা পায়, ঘুমের ঘোরে জল চাইতেই সে ত্রিপয়া থেকে গ্লাসটা তুলে দেয়, আমি জল পান করে আবার শুয়ে পড়ি।
বা কখনো বই পড়তে পড়তে অগোছালো ভাবে ঘুমিয়ে গেলে সে ঠিকঠাক বালিশে মাথাটা পৌঁছে দেয়, চাদরটা গায়ে তুলে দেয়। আমি ঘুমের ঘোরেই তার হাতের স্পর্শ টের পাই, নিশ্বাস এসে কানে সুড়সুড়ি দেয়।
তারপর ঠিক রাত তিনটায়, সেই রাতের দুঃস্বপ্নে ঘুম ভাঙ্গে। আমার স্পষ্ট মনে আছে সে রাতের ঝড়টা শুরু হয়েছিল ঠিক তিনটায়, পরে জেনেছি সেদিনের ইত্তেফাকের ৪ নম্বর পাতার প্রথম কলামে।
হাতড়ে চশমাটা ঠিক ত্রিপয়ার উপর পাই, অথচ ঘুমাবার সময় আমি পাশের বালিশের উপর রেখেছিলাম ওটাকে, জলের গ্লাসটাও ঠিকঠাক শুণ্য।
আজকাল আমি অনেকটা দ্রুত শুয়ে পড়ি, যদি তারে আরেকটু কাছে পাই!