সখি,
দিনের আকার কেমন?
পৃথিবীর মতো ডিম্বাকার?
চাঁদের মতো নীলাকার?
তোমার মতো প্রেমাকার?
নাকি আমার মতো এব্রোথেব্রো?
সখি,
দিনের আকার কেমন?
পৃথিবীর মতো ডিম্বাকার?
চাঁদের মতো নীলাকার?
তোমার মতো প্রেমাকার?
নাকি আমার মতো এব্রোথেব্রো?
চান্দের দেশে মেঘের খেলা চলে, তাতে আমার কী!
আমি রেফারিও না, দর্শকও না।
আমার চোখ জুড়ে এখন প্রেমিকার নেশা।
#চাঁদ #দেশ #মেঘ #খেলা #রেফারী #দর্শক #চোখ #প্রেমিকা #নেশা
ইনবক্স নোটিফিকেশনে লাল রঙ্গে ১ লেখা দেখে ক্লিক করলো মালিহা, চাঁদ রাতে যেন পূর্ণিমার আলো ছড়ালো তার মনে।
জয় সুন্দর একটা স্টিকার পাঠিয়েছে, তাতে লেখা “আই লাভ ইউ”…
খুশিতে আত্মহারা হয়ে কতক্ষন লাফালাফির পর নিজেকে কিছুটা গুছিয়ে নিয়ে রিপ্লাই দিল-
” কী বলছো এসব! আমি কল্পনায়ও ভাবি নি।”
জয়ের ধারনা ছিল মালিহা রিজেক্ট করবে, আরও খারাপ কিছু বলবে ভেবে রেখেছিল। তাই পূর্ব পরিকল্পিত “ঈদ মোবারক” লেখা স্টিকারটি পাঠিয়ে বলল ” স্যরি, ভুলে আগের স্টিকারটা চলে গেছে।”
আঁতুর ঘরেই মৃত্যু হলো একটি মধুর প্রেম কাহিনীর।
এভাবেই তুমি না বোঝার ভান করো,
আমিও ভান করি।
যেন তুমি বুঝতে পেরেছো তা আমি বুঝি নি,
এভাবেই দূরের তুমি, দূরেই র’য়ে যাও।
আমি দূর থেকে চেয়ে থাকি,
আর এভাবেই-
চাঁদের মত তোমায় নিয়ে কাব্য লিখি।
একা একা যায় না খাওয়া চাঁদের জ্যোৎস্না।
কোন এক চাঁদ রাতের ঘটনা, নিয়মিত যে দোকান থেকে সদাই কিনি সেখানে সদাই কিনছি।
ভাই-বোন এসেছে মায়ের সাথে সেমাই কিনবে, কিন্তু মেয়েটা বায়না ধরেছে আইসক্রিম খাবে।
মায়ের মোট বাজেটের সমান আইসক্রিমের দাম!
মা – আমার কাছে তো আজ টাকা নাই, ঈদের দিন টাকা যোগাড় করে আইসক্রিম কিনে দিব।
মায়ের মিথ্যা কথাটা মেয়েটা নির্দ্বিধায় মেনে নিয়ে চলে যাচ্ছিল, আমি ফ্রিজ থেকে একটা আইসক্রিম বের করে মেয়েটাকে দিয়ে বললাম দু’ ভাই-বোন মিলে খেয়ে নেয় যেন।
মা হাতের টাকাটা আমার দিকে বাড়িয়ে দিলে কিছুই বললাম না, আমার ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিছু করার ছিল না।
আমি জেনেছি শুধু এই,
মিথ্যা বলা মহা পাপ,
মায়ের কোন পাপ নেই।
বৈশাখের এই পহেলা রাতে চল ভাগি,
একটু পরেই চাঁদ উঠবে, চাঁদের সাথে রাত জাগি।
ঘন্টা শুনে দরজা খুলে দেখি হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আছে এক যুবক, বলল “জয় নামে একটা চিঠি আছে”।
চিঠিটা হাতে নিলাম, এক পাশে আমার নাম-ঠিকানা আর অপর প্রান্তে নাসার লোগো।
ছেলেটাকে বিদায় দিয়ে কাঁপা কাঁপা হাতে খামের ভেতর থেকে বের করলাম চিঠি খানা, এরই মধ্যে ফোন আসলে টেবিলের উপর থেকে ফোনটা নিয়ে রিসিভ করতেই অপর প্রান্তে কিন্নরকন্ঠী এক মহিলা খাঁটি বাংলায় বললেন “শুভ সন্ধ্যা জয়, আমি এলিস বলছি এপোলো ১৩ অভিযানের প্রধান ব্যবস্থাপক।”
এরপর এলিসের সাথে আমার দীর্ঘ্য ৭ মিনিট ৪৯ সেকেন্ড কথা হয়েছে, ফোন রেখে তো আমার মাথা নষ্ট হওয়ার যোগাড়। চিঠিটা হাতে নিয়ে পড়তে শুরু করলাম, চিঠিটাও বাংলাতেই লেখা ছিল। যা লেখা ছিল তার সার সংক্ষেপ এই রকম-
জয়, আগামী ২০২০ সালে এপোলো ১৩ অভিযানের ৫০ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে, সেই উপলক্ষ্যে আমরা সেটাকে সেলিব্রেট করতে একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আগামী ১১ই এপ্রিল ২০২০ এর সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটে (UTC) এপোলো ১৩ এর দ্বিতীয় অভিযান উৎহ্মেপণ করবো।
এমতাবস্থায় বলির পাঁঠার নেতৃত্বে আমরা আপনাকে পছন্দ করেছি এবং জেনে খুশী হবেন যে, এ অভিযানটি চাঁদের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হবে না। এটা হবে মঙ্গলগ্রহ অভিমুখী।
ঈশান কোণে তাকিয়ে দেখো সই…
চাঁদটা কেমন উদাসে বলে-
“এমন বসন্ত দিনে তোমার সঙ্গের সাথী কই…?”
তুমি বিনা বিষন্ন সন্ধ্যা কাটে একলা চাঁদের সাথে…