হে তাইরে বালা ফায়, তাই জানে না। #গল্প #শেষ #হে #তাই #বালা #ভালোবাসা #একাশশী #দশকিয়া
Tag: গল্প
-
গল্পটা শেষ
-
নায়িকা নিরুদ্দেশ
গল্পটা ওখানেই শেষ হওয়ার কথা ছিল,
কিন্তু পরিচালক চাইলেন গল্পে একটু ভিন্নতা আনবেন।
তাই, হঠাৎ গল্পের নায়িকা নিরুদ্দেশ।
নায়কের কথা বলছেন?
তিনি আর কি করবেন!
বোতল ধরেছেন,
দেবদাস হলেন অবশেষ। -
আজ শুভ্রর বিয়ে
আজ শুভ্রর বিয়ে…
আমি হুমায়ুন আহমেদকে অনুসরণ কিংবা অনুকরণ করতে চাই না, তাই গল্পটা এখানেই শেষ।
এবং হুমায়ুনের গল্পের মতো কোন রেল স্টেশনে না হয়ে দরিদ্র পিতার সেই ছোট্র ঘরটিকেই বানানো হয়েছে বাসর ঘর, সেই ঘরেই জরী অপেক্ষা করছে এক জনমের সাধনার সেই বাসরের।
-
নিছক
নিছক গল্পচ্ছলে হলেও ভালবাসিস,
নিছক কল্পনা হলেও কাছে থাকিস। -
বিরহের গল্প
বাতি নিভিয়া যাইবার পূর্বে দপদপ করিয়া কয়েকবার স্ফুলিঙ্গ ছড়াইবার ন্যায় মেয়েটা বার কয়েক ফিরিয়া তাকাইলো… অতপর দু’জনের ভিন্ন পথে গমনের সহিত শেষ হইল একখানা বিরহের গল্প।
-
প্রত্যেকটা গল্পের শেষ বিরহেই
প্রত্যেকটা মানুষ চায় গল্পের শেষটা হোক আনন্দময়…
কিন্তু মিলনেই কি গল্প শেষ হয় কখনো?
মানুষ মরণশীল, তাই আমার কথাটি বেদবাক্যের মত মেনে নিন…
“প্রত্যেকটা গল্পের শেষ বিরহেই”। -
পাটকাঠি ও মুটকির গল্প
– এই এই, কী করছিস!– মুখ মুছতেছি, খাওয়ার পর মুখ মোছা সুন্নত।– কই থিকা পাইছোস?– সেদিন এক বড় ভাই বলছে।– তোর ঐ বড় ভাই এটা বলে নাই যে, পর নারীর ওড়নায় মুখ মোছা হারাম?– না রে, ভাই মনে হয় ব্যপারটা বলতে ভুলে গেছিল।– আচ্ছা, নেক্সট টাইম মনে রাখবি।– মনে না থাকলে, আবার যদি মুখ মুছি তখন মনে করাই দিবি, ঠিক আছে?– তোরে নিয়া যে আমি কই যাই!– স্যরি বাবা, আমি তোর সাথে কোথাও যাব না। তুই যে পেটুক! সিঙ্গাড়া নিলাম ৪ খানা, তার মধ্যে তো সাড়ে তিনখানাই তুই খাইলি।– খাইছি ভাল করছি, বেশী বেশী খাই বলেই তো আমি সাস্থ্যবান আর তুই পাটকাঠি।– তুই সাস্থ্যবান নাকি মুটকি?– হ, আমি মুটকি এবার ঠিক আছে? চল দেরী হয়ে যাচ্ছে। -
মায়াবতী ও ঝড়ের গল্প
আজ তোমাদের একজন মায়াবতী ও ঝড়ের গল্প শোনাব,
সে অনেক বছর আগের কথা, এক ভরা পূর্ণিমা রাতে আমি আর সে এক নদীর ধারে বসে গল্প করছি।
গল্প করছি বলাটা ভুল হবে, পূর্ণিমায় জলে জোয়ার আসে, সে জোয়ারের জলে চাঁদ ছড়িয়ে পড়েছে চারিদিক।
তার মুখে জলের তরঙ্গ, আমি সেই তরঙ্গে নৌকা বাইছি আর তার গল্প শুনছি।
আমার গল্প জুড়ে যেমন তার কথা বলছি, তেমনি তার গল্প জুড়ে ছিল স্বর্গীয় দাদা ঠাকুর। আমার খুব মনে আছে সে বলছিল রোজ রাতে দাদা তার সাথে দেখা করেন, অথচ দাদার সৎকারের দিন আমি ছিলাম। দূর থেকে দেখেছি, কাছে যাওয়ার মত অতটা ভাল তখনো বেসে উঠতে পারি নি।
আগেই বলেছি চারিদিক পূর্ণিমায় ভরপুর, কিন্তু হঠাৎ সব অন্ধকার হয়ে আসে। প্রচন্ড ঝড় শুরু হয়, যেন ঈস্রাফিলের সিঙ্গায় হুঙ্কার বেজে উঠেছে, এই বুঝি শেষ হলো দুনিয়ার সব খেলা।
তান্ডব শেষ হতে হতে সকাল হয়ে গেছে, ছিলাম নদীর ধারে এসে পড়েছি এক জন কোলাহলে। কিন্তু এই কোলাহলের ভিতর তাকে খুঁজে পাচ্ছি না, তন্নতন্ন খুঁজেও পাই নি আর।
তারপর গেছে অনেক বছর, কত শত নারীর ঠোঁটের হাসিতে বিক্রী করেছি হৃদয়ের জমিন, তা হিসেব করে বলা যাবে না; দুনিয়ার নিয়মে ভুলে গেছি তাকে।
কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে মাঝ রাতে যখন জলের তেষ্টা পায়, ঘুমের ঘোরে জল চাইতেই সে ত্রিপয়া থেকে গ্লাসটা তুলে দেয়, আমি জল পান করে আবার শুয়ে পড়ি।
বা কখনো বই পড়তে পড়তে অগোছালো ভাবে ঘুমিয়ে গেলে সে ঠিকঠাক বালিশে মাথাটা পৌঁছে দেয়, চাদরটা গায়ে তুলে দেয়। আমি ঘুমের ঘোরেই তার হাতের স্পর্শ টের পাই, নিশ্বাস এসে কানে সুড়সুড়ি দেয়।
তারপর ঠিক রাত তিনটায়, সেই রাতের দুঃস্বপ্নে ঘুম ভাঙ্গে। আমার স্পষ্ট মনে আছে সে রাতের ঝড়টা শুরু হয়েছিল ঠিক তিনটায়, পরে জেনেছি সেদিনের ইত্তেফাকের ৪ নম্বর পাতার প্রথম কলামে।
হাতড়ে চশমাটা ঠিক ত্রিপয়ার উপর পাই, অথচ ঘুমাবার সময় আমি পাশের বালিশের উপর রেখেছিলাম ওটাকে, জলের গ্লাসটাও ঠিকঠাক শুণ্য।
আজকাল আমি অনেকটা দ্রুত শুয়ে পড়ি, যদি তারে আরেকটু কাছে পাই! -
ছেলেবেলা
সে আমাকে ইনবক্সে বলল– একদিন মাসের শেষে শুণ্য দিয়ে ফেবু চালাচ্ছে, হঠাৎ শুন্য দিয়ে ফেবুতে আর ঢোকা যাচ্ছে না। ঐ দিকে চন্দা ভীষণ রেগে বসে আছে… যেন তুফান উঠেছে, প্রেম ডোবে ডোবে অবস্থা। আবদুল অনেক ঘেঁটেঘুঁটে গ্রামীনফোনের ২টাকায় ১ মেগাবাইটের প্যাকেজটা নিল, কোন মতে চন্দাকে ম্যাসেজ দিল যে শুন্য দিয়ে ফেবু ব্যবহার করা যাচ্ছে না। গল্পটা এত শিগ্গির শেষ হল, আমার পছন্দ হল না। মোবাইলে ২টাকা ব্যালেন্স ছিল, অমনিই বেঁচে গেল প্রেম, এ তো গপ্পই নয়। বারবার বলতে লাগলুম “তার পর’?
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর