Tag: কৃষ্ণ

  • রাধে

    কাঁদছি কি আর সাধে!

    বৃন্দাবনে এসে দেখি

    কুঞ্জেতে নাই রাধে

  • এতো সময় কই!

    আমার দিনাজপুর প্রীতি বহু পুরাতন, প্রোটেস্ট্যান্ট প্রীতি আরো পুরাতন।
    তার উপর মেয়ে দেখতে শ্রী কৃষ্ণের গায়ের রঙ এর যে বিবরণ দেয়া হয়, সেই রঙ এ রাধার রুপ।
    একটা মোহ লাগা কাজ করে, স্থির কোন ছবি তৈরী করতে পারবেন না হৃদয়ে। ঠিক এই কারনে মেয়েটার চেহারা আমার এখন মনে পড়ছে না, নামটাও মনে নাই আর।

    মেয়ের সাথে আমার পরিচয় ওর এক বান্ধবীর মাধ্যমে, তো, বান্ধবীরে দিয়া একবার প্রেমের প্রস্তাব দিলাম। মেয়ে কোন রেসপন্স দেয় নাই দেখে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট দিলাম, তাও রেসপন্স নাই। শেষে পরপর বেশ কয়েক দিন ম্যাসেঞ্জারে গুতানির পর হোয়াটসএ্যাপ এ নক দিলাম।

    এতো কিছুর পরও যখন রেসপন্স করতেছে না, তখন সিদ্ধান্ত নিলাম ওর কলেজে যাবো একদিন, তাও যদি রেসপন্স ভাল না আসে তাহলে আমার এতো ঠেকা লাগে নাই তার সাথে প্রেম করাই লাগবে, তখনও আমার ইন প্যারালাল ২টা গার্লফ্রেন্ডকে সময় দেয়া লাগে, নতুন আরেকটা গার্লফ্রেন্ডকে সময় দিতে বহু শিডিউল পরবির্তনের ঝামেলা আছে, এতো কিছুর সময় কই!

  • আমি কী কী কারনে নজরুলে বিদ্বেষী

    এ দেশে নজরুল বিদ্বেষীর অভাব নেই, কিন্তু নজরুলে বিদ্বেষী হওয়ার কারন কী অনেকে তাই খুঁজে পাচ্ছে না? আসুন দেখে নিন আমি কী কী কারনে নজরুলে বিদ্বেষী।।

    ১) আমি যখন খাঁটি মুসলমানঃ লোকটা কাফের, নইলে কি আর হিন্দু মহিলারে বিয়ে করতো? শ্যামা সঙ্গীত, কৃষ্ণকে নিয়ে গান, নিজের ছেলের নাম কৃষ্ণ রাখত?

    ২) আমি যখন খাঁটি হিন্দুঃ ওরে, মুসলমানের ব্যটা মাকে নিয়ে গান করেতো মায়ের জাতটাই খুইয়ে দিলো গো…

    ৩) আমি যখন নাস্তিকঃ
    খাটি ধর্মান্ধ, ইসলামী সঙ্গীত কি কখনো শান্তি আনতে পারবে? নাকি শ্যামা সঙ্গীত পারবে?
    এসব করে লোকটা নিজের দুই নাম্বারীই প্রমান করেছে।

    ৪) আমি যখন বাংলাদেশীঃ ওতো ভারতীয়, বাংলাদেশেতো ওর বাড়ী না। আমরা হুদাই ওরে নিয়া বাড়াবাড়ি করি ক্যান?

    ৫) আমি যখন ভারতীয়ঃ ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি, আমাদের কী?

    ৬) আমি যখন রবীন্দ্রভক্তঃ ও ছোড়া কি লিখতে পড়তে জানতো নাকি? গুরুজির কয়েকটা লেখা চুরি করে নিজের নামে ছাপিয়েছে।

    ৭) আমি যখন রবীন্দ্র বিদ্বেষীঃ শুনেছি রবীন্দ্রনাথের সাথে নাকি নজরুলের খুব ভাব ছিল, দুইটাই বজ্জ্বাতের হাড্ডি।

    ৮) আমি যখন নারী বিদ্বেষীঃ হালায় কয় কি! পৃথিবীর অর্ধেক নাকি নারী বানাইছে? পাগল না হইলে এমন কথা কেউ কয়?

    ৮) আমি যখন নারীবাদীঃ নার্গিসকে বিয়ে করেও অধীকার দেয় নাই, শুধু তাই না তার অনুমতি ছাড়াই সে প্রমীলাকে বিয়ে করেছে।

    ৯) আমি যখন ব্রিটিশঃ হালায় আমগোর বিরুদ্ধে কবিতা লিখছে, জেলে ভর হালারে।

    ১০) আমি যখন ব্রিটিশ বিদ্বেষীঃ হালায় বৃটিশের পক্ষ হইয়া যুদ্ধ করছে, খাঁটি বৃটিশ।

    ১১) আমি যখন আওয়ামীলীগঃ জামায়াতের এজেন্ট, জামায়াতের সব অনুষ্ঠানেই ওর গান বাজে।

    ১২) আমি যখন বিএনপিঃ জয় বাংলাতো মুজিবরে এই হালায়ই শিখাইছে, হালায় খাঁটি আওয়ামীলীগ।

    ১৩) আমি যখন ধনী শ্রেণির লোকঃ লোকটা দারিদ্র নিয়া লিখছে, আমগোরে নিয়া কিছু লেখে নাই।

    ১৪) আমি যখন দরিদ্রঃ ফাইজলামী করে! দারিদ্র মহান বানাইছে? ঐ একবার আইয়া দেখ আমার ঘরে… কত কষ্টে দিন কাটে।

    ১৫) আমি যখন ছাত্রঃ এই হালারে এতো কঠিন কথা লিখতে কে কইছে? কিচ্ছু বুঝি না।

    ১৬) আমি যখন বাসের হেলপারঃ এই লোকটা “আমরা হেলপারের দল” নামে কোন কবিতা লিখতে পারতো না? তাইলেতো প্রতিদিন ছাত্রদের হাতে মাইর খাইতে হইতো না। ওর কবিতার জোরেইতো ছাত্ররা ৪ টাকার ভাড়া ২ টাকা দেয় আবার মাইরও দেয়।

  • ভালবাসবো

    প্রেম দিয়েছো কৃষ্ণকে সব,
    তাই বলে ভালবাসবো না!

  • রাই

    কাহার তরে বাসর সাজাও রাই,
    কৃষ্ণ তো আর বৃন্দাবনে নাই।