আবার বসন্ত আসার আগে-
প্যালেস্টাইন স্বাধীন হওয়ার আগে-
কিংবা পৃথিবীর শেষ যুদ্ধটা শেষ হওয়ার আগে-
যেন কোন কবির মৃত্যু না হয়,
যেন কোন শিশুর মৃত্যু না হয়।
এতোটুকু যদি করতে না পারো,
তাহলে তুমি ঈশ্বরের পদ ছেড়ে দাও।
আবার বসন্ত আসার আগে-
প্যালেস্টাইন স্বাধীন হওয়ার আগে-
কিংবা পৃথিবীর শেষ যুদ্ধটা শেষ হওয়ার আগে-
যেন কোন কবির মৃত্যু না হয়,
যেন কোন শিশুর মৃত্যু না হয়।
এতোটুকু যদি করতে না পারো,
তাহলে তুমি ঈশ্বরের পদ ছেড়ে দাও।
সভাকবিকে লিখলাম-
গুরু, পদক দেখালেই কি মুদিওয়ালা তেলের দাম ৮৬ টাকা রাখে? চালের দাম ১০ টাকায় খাচ্ছেন তো?
নাকি বাজারে গিয়ে আমাদের মতো নিরীহ দোকানিদের গালমন্দ করে শুন্য হাতে ফিরে আসেন?
উপরোক্ত চিঠিখানার উত্তরে কবি লিখলেন-
পাছা বিক্রী করে ঢের কামিয়েছি বাছা, চালের দর, তেলের দর হাজার ছাড়ালেও সমস্যা হবে না।
ফের চিঠিতে কবিকে জানালাম-
বিক্রয়যোগ্য পাছা নেই গুরু।
#কবি #সভাকবি #চাল #তেল #পাছা #চিঠি
প্রিয়তমেষু দেবী, ঈভ-এডাম সাজার খেলা শেষ করে এবার চলেন স্বনামে খেলি প্রেম।
– ইতি আপনার কবি।
#প্রিয়তমেষু #দেবী #ঈভ #এডাম #হাওয়া #আদম #খেলা #প্রেম #কবি
বস্তুতঃ বাংলাদেশের কোন জাতীয় কবি নাই, কিন্তু আপনি সারা জীবন জপে এসেছেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
যেমনটা গত ১২ বছর ধরে গণতন্ত্রের জপ করে আসছেন, আদতে এগুলো সবই গুজব মাত্র।
বিশ্বাস না হলে খোঁজ নিয়া দেখেন।
সখির চাই শাড়ী-চুড়ি, চুলের খোঁপা, কবির চাই কাব্য লেখার বিরহ। #চাহিদা #শাড়ী #চুড়ি #চুল #খোঁপা #কবি #কবিতা #কাব্য #বিরহ #লেখা
আমি পরিপূর্ণ কবি নই আমি পরিপূর্ণ ব্যবসায়ী নই আমি পরিপূর্ণ সাম্যবাদী নই আমি পরিপূর্ণ পুঁজিবাদী নই আমি পরিপূর্ণ ধার্মিক নই আমি পরিপূর্ণ নাস্তিক নই আমি পরিপূর্ণ ভেগান নই আমি পরিপূর্ণ মাংসাশী নই আমি পরিপূর্ণ মানব নই আমি পরিপূর্ণ দানব নই তবে সখি, জেনে রাখো- আমি পরিপূর্ণ প্রেমিক। #সখি #কবি #প্রেমিক #ব্যবসায়ী #সাম্যবাদী #পুঁজিবাদী #ধার্মিক #নাস্তিক #ভেগান #মাংসাশী #মানব #দানব
এসব রমনীরা আমাদের প্রতিটি মূহৃর্তকে কেড়ে নেয়,
আমাদের চিন্তা-চেতনা-
অবশেষে ছুঁড়ে ফেলে আস্তকুঁড়ে।
আজ যে ছেলেটা মেধাবী-
কাল সে হয়ে যায় মাদক সেবি,
এভাবেই রমনীরা আমাদের
অনুভূতি গুলো কেড়ে নেয়।
আমাদের হাসি-কান্না।।
অবশেষে ছুঁড়ে ফেলে গহীন শুণ্যে,
আজ যে ছেলেটা সবচেয়ে সুখী-
কাল সে হয়ে যায় দুঃখ ফেরারী।
যে ছেলেটা ডাক্তার হবে-
সেই হয় তো হয়ে গেলো রফিক আজাদ।
এভাবেই বেড়ে চলে কবিদের ভীড়,
এভাবেই হয়তো আমরা সুনীলদের ভীড়ে মিশে যাই।
এ দেশে নজরুল বিদ্বেষীর অভাব নেই, কিন্তু নজরুলে বিদ্বেষী হওয়ার কারন কী অনেকে তাই খুঁজে পাচ্ছে না? আসুন দেখে নিন আমি কী কী কারনে নজরুলে বিদ্বেষী।।
১) আমি যখন খাঁটি মুসলমানঃ লোকটা কাফের, নইলে কি আর হিন্দু মহিলারে বিয়ে করতো? শ্যামা সঙ্গীত, কৃষ্ণকে নিয়ে গান, নিজের ছেলের নাম কৃষ্ণ রাখত?
২) আমি যখন খাঁটি হিন্দুঃ ওরে, মুসলমানের ব্যটা মাকে নিয়ে গান করেতো মায়ের জাতটাই খুইয়ে দিলো গো…
৩) আমি যখন নাস্তিকঃ
খাটি ধর্মান্ধ, ইসলামী সঙ্গীত কি কখনো শান্তি আনতে পারবে? নাকি শ্যামা সঙ্গীত পারবে?
এসব করে লোকটা নিজের দুই নাম্বারীই প্রমান করেছে।
৪) আমি যখন বাংলাদেশীঃ ওতো ভারতীয়, বাংলাদেশেতো ওর বাড়ী না। আমরা হুদাই ওরে নিয়া বাড়াবাড়ি করি ক্যান?
৫) আমি যখন ভারতীয়ঃ ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি, আমাদের কী?
৬) আমি যখন রবীন্দ্রভক্তঃ ও ছোড়া কি লিখতে পড়তে জানতো নাকি? গুরুজির কয়েকটা লেখা চুরি করে নিজের নামে ছাপিয়েছে।
৭) আমি যখন রবীন্দ্র বিদ্বেষীঃ শুনেছি রবীন্দ্রনাথের সাথে নাকি নজরুলের খুব ভাব ছিল, দুইটাই বজ্জ্বাতের হাড্ডি।
৮) আমি যখন নারী বিদ্বেষীঃ হালায় কয় কি! পৃথিবীর অর্ধেক নাকি নারী বানাইছে? পাগল না হইলে এমন কথা কেউ কয়?
৮) আমি যখন নারীবাদীঃ নার্গিসকে বিয়ে করেও অধীকার দেয় নাই, শুধু তাই না তার অনুমতি ছাড়াই সে প্রমীলাকে বিয়ে করেছে।
৯) আমি যখন ব্রিটিশঃ হালায় আমগোর বিরুদ্ধে কবিতা লিখছে, জেলে ভর হালারে।
১০) আমি যখন ব্রিটিশ বিদ্বেষীঃ হালায় বৃটিশের পক্ষ হইয়া যুদ্ধ করছে, খাঁটি বৃটিশ।
১১) আমি যখন আওয়ামীলীগঃ জামায়াতের এজেন্ট, জামায়াতের সব অনুষ্ঠানেই ওর গান বাজে।
১২) আমি যখন বিএনপিঃ জয় বাংলাতো মুজিবরে এই হালায়ই শিখাইছে, হালায় খাঁটি আওয়ামীলীগ।
১৩) আমি যখন ধনী শ্রেণির লোকঃ লোকটা দারিদ্র নিয়া লিখছে, আমগোরে নিয়া কিছু লেখে নাই।
১৪) আমি যখন দরিদ্রঃ ফাইজলামী করে! দারিদ্র মহান বানাইছে? ঐ একবার আইয়া দেখ আমার ঘরে… কত কষ্টে দিন কাটে।
১৫) আমি যখন ছাত্রঃ এই হালারে এতো কঠিন কথা লিখতে কে কইছে? কিচ্ছু বুঝি না।
১৬) আমি যখন বাসের হেলপারঃ এই লোকটা “আমরা হেলপারের দল” নামে কোন কবিতা লিখতে পারতো না? তাইলেতো প্রতিদিন ছাত্রদের হাতে মাইর খাইতে হইতো না। ওর কবিতার জোরেইতো ছাত্ররা ৪ টাকার ভাড়া ২ টাকা দেয় আবার মাইরও দেয়।
একজন কবি চলে গেলে বা একটা তারা ঝরে গেলে আমাদের কিছু যায় আসে না, কবিতা বা তারকা খাওয়া যায় না।
রাজনীতি খাওয়া দেয়, তাই আমরা সবাই রাজনীতিবিদ, ভ্যান-রিক্সাওয়ালা, বিশাল সাগর থেকে শুরু করে ছোট এতিম শিশুও আমাদের রাজনৈতিক হাতিয়ার।
শুদ্ধতম কবি,
কবে ফিরবা? তোমার লাইগা হাজার বছর অপেক্ষা করোনের মত অতো ধৈর্য্য কই কও?