একজন কবি চলে গেলে বা একটা তারা ঝরে গেলে আমাদের কিছু যায় আসে না, কবিতা বা তারকা খাওয়া যায় না।
রাজনীতি খাওয়া দেয়, তাই আমরা সবাই রাজনীতিবিদ, ভ্যান-রিক্সাওয়ালা, বিশাল সাগর থেকে শুরু করে ছোট এতিম শিশুও আমাদের রাজনৈতিক হাতিয়ার।
Blog
-
একজন কবি চলে গেলে
-
উদ্যোক্তা
দেশে যে পরিমান টাকা অলস পড়ে আছে তা কার লোন, বিয়ে লোনে না দিয়ে উৎপাদন খাতে সহজ ঋণ দিলে দেশে হাজার হাজার উদ্যোক্তা তৈরী হতো।
কমে আসতো বেকার আর দারিদ্রের সংখ্যা, কিন্তু যাদের কাছে টাকাগুলা আছে তারা তা নাইজেরিয়ায় বা সুইস ব্যাঙ্কে পাঠাতে ব্যস্ত। -
পণ
সখি,
তোরে ছাড়া চায়ের কাপে চুমুক দেব না আর। -
নিম
তুমি নিম আমার তেতো স্বাদটাই দেখলে,
ঔষধী গুণটা দেখলে না। -
হ্যাপি বাক স্বাধীনতা।
আমাকে যেকোন প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দিব। তবে-
আমার সম্বন্ধে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
আপনার সম্বন্ধে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
অন্য কারো সম্বন্ধে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
দেশ সম্বন্ধে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
ভিনদেশ সম্বন্ধে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
ধর্ম সম্বন্ধে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
অধর্ম সম্বন্ধে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
রাজনৈতিক কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।
অরাজনৈতিক কিছু জিজ্ঞেস করবেন না।ইয়াপ, আপনি যা খুশী জিজ্ঞেস করতে পারেন, এ ব্যাপারে আপনি শতভাগ স্বাধীন। তবে স্বাধীনতা ভোগ করতে হলে কিছু দায়িত্বও পালন করতে হয়, উপরোক্ত নাগুলো সেই দায়িত্ব।
হ্যাপি বাক স্বাধীনতা।
-
আমার আমি
মাত্র জীবনের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খেয়ে উঠেছি, সব কিছু ওলোট-পালোট; সারাক্ষনই ডিপ্রেশনে থাকি।নতুন জায়গা, যতটা সম্ভব বন্ধু-বান্ধব জোটাইলাম খুব দ্রুত, যতক্ষন বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যে থাকি ততক্ষন ভাল থাকি।পুরোটাই পর নির্ভরশীল, একদিন ৩ জনের আড্ডায় আমাকে প্রচন্ড তাচ্ছিল্য করে বাকী দুইজন কোথাও যাচ্ছিল, আমি ওদের পিছু পিছু দৌঁড়ালাম। ছোট শিশুরা যেমন মায়ের পিছু পিছু দৌড়ায়।রাস্তায় দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে কান্না করলাম, সে রাতে শুয়ে শুয়ে নিজেকে অনেকগুলা প্রশ্ন করলাম।কে আমি? আমার ক্ষমতা কতটুকু? কোথায় আমি যাচ্ছি? কোথায় যাওয়া উচিৎ?আমি আমার পরিচয় পেয়ে গেলাম, নিজেকে চিনলাম। তারপরই সব কিছুতেই পরিবর্তন আসতে শুরু করলো, আমার মাথা থেকে ডিপ্রেশন নামক ঐ আজব জিনিসটা কর্পুরের মত হাওয়া হয়ে গেল।যত বড় সমস্যাই আসুক, মস্তিষ্ক সেটাকে ফিল্টার করে কৌতুক বানিয়ে ফেলে, আমি আপন মনে হেসে উঠি।আজকের আমি নিজেকে চিনি, এই চিনতে পারার জন্য একটা উপলক্ষ্য দরকার ছিল, সেদিনের ঘটনাটা ছিল সেই উপলক্ষ্য মাত্র।আমি সেদিনের সেই দুই বন্ধুর কাছে চির কৃতজ্ঞ, তারা সেদিন পথ না দেখালে হয়তো আমি নিজেেকে চিনতে পারতাম না। -
নারীর পোষাকই কি ধর্ষণের জন্য দায়ী?
এমনও তো অনেক জনপদ আছে যেখানে মানুষ পোষাকই পরে না, ভাগ্যিস আপনারা সেখানে জন্মগ্রহণ করেন নাই।
( যারা মনে করে নারীর পোষাকই ধর্ষণের জন্য দায়ী)
-
হলুদ একটি রঙ এর নাম
হলুদ, খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি শব্দ বাংলাদেশীদের কাছে…
প্রত্যেকটা প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষই গোলাপী রঙ এর পরে যে রঙ এর স্বপ্ন দেখে তা হচ্ছে হলুদ…
কৌতুক আছে বিয়েতে গায়ে হলুদ না হলে বিয়ের পরে গায়ে মরিচ জ্বলে…বিয়ের পরে গায়ে মরিচ জ্বলুক বা না জ্বলুক বিয়েতে গায়ে হলুদ বাঙ্গালীর পরিনত বয়সের সবচেয়ে উজ্জ্বল রং… উজ্জ্বল স্বপ্ন…
অথচ আপনি হয়তো জানেন না যে, এই হলুদই আপনার জীবনটা ধ্বংস করে দিতে পারে…হ্যাঁ, আপনি ঠিক ধরেছেন। আমি হলুদ সাংবাদিকতার কথা বলছি…
এই হলুদ সাংবাদিকতা একটি দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে পারে মাত্র একটি খবর দিয়ে…
এই হলুদ সাংবাদিকতাই রামুতে বৌদ্ধদের উপর হামলার মূল কারিগর… এই হলুদ সাংবাদিকতাই সারাদেশে গত বছর শত শত শহীদ মিনার ধ্বংসের মূল হোতা, এই হলুদ সাংবাদিকতাই ব্লগার রাজীব হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার ও তদন্তে বাঁধা গ্রস্থ করেছিল, এই হলুদ সাংবাদিকতাই রেশমা নামক একজন মিথ্যাবাদীকে সেলিব্রেটি বানিয়েছে….
এই হলুদ সাংবাদিকতা পৃথিবী জুড়ে এতো অশান্তির মূল কারন…অথচ সাংবাদিকরাই পারে পৃথিবীকে শান্তিময় করতে… তাদের ক্ষমতা রাষ্ট্রযন্ত্রের চেয়েও বেশী, তাইতো অকালে এতিম হতে হয়েছিল মেঘকে।
-
রাষ্ট্র বনাম সরকার
রাষ্ট্র আর সরকার এক নয়, তেমনি রাষ্ট্র বিরোধীতা ও সরকার বিরোধীতাও এক নয়।
কখনো কখনো সরকারই রাষ্ট্র বিরোধী হয়ে উঠতে পারে, যেমন রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ সরকারের একটি রাষ্ট্র বিরোধী কর্ম।
-
আমার আছে জল
মমতা ব্যানার্জী বলেন-দুঃখিত বন্ধু, আমার পানি নাই, আমার আছে জল। তাই তোমাদের পানি দিতে পারব না।