প্রেমিকা – গার্লফ্রেন্ড সাথে নিয়া হাঁটতেছো তার মধ্যেও অন্য মেয়ের দিকে তাকাও, তোমার তো স্বভাব নষ্ট।
প্রেমিক – ঠিক বলছো, এতোকাল অভাবে স্বভাব নষ্ট হয়ে গেছে। তবে চেষ্টা করতেছি তুমি সাথে থাকলে আর অন্য মেয়েদের দিকে তাকাব না।
Blog
-
স্বভাব নষ্ট
-
ভালবাসা এক্সপ্রেস
ঢাকা থেকে সিলেটগামী একটি বাসের দৃশ্য-
বি২ তে বসে আছেন সুন্দরী এক রমনী, বেশ পরিপাটি গোছানো রমনীকে দেখে যেকোন পুরুষই প্রেমে পড়তে বাধ্য। বি১ এ বসে থাকা তার প্রেমিক পুরুষটি প্রেমিকার উপর প্রচন্ড অখুশী কারন সুন্দরী কেন যেন বারবার ডি৩ তে থাকা যুবকের দিকে কেমন করে তাকাচ্ছে।
যুবকও বিষয়টা আঁচ করার পর থেকে তাদের মধ্যে চোখে চোখে কথা হচ্ছে।
বাসের যে ক’জন যাত্রী বিষয়টা খেয়াল করেছেন তাদের ভিতরে কানাঘুষা শুরু হয়ে গেছে, কানাঘুষাকে কলরবে পরিনত করে এক সময় সুন্দরী রমনী উঠে এসে যুবকের পাশে বসল।যাত্রা শেষে জানা গেলো মেয়েটা গোয়েন্দা পুলিশ আর যুবক ইয়াবা ব্যবসায়ী।
-
আছি? আছি? আছি?
ছেলেবেলায় খেলাধুলা খুব কম করেছি, পাট কাঠির মত শুকনো হওয়ার ফলে খেলাধুলায় খুব বেশী সামর্থ্যবানও ছিলাম না। অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠতাম, অনেকবার মাঠে অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ঘটনা আছে, টেবিলের উপর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ভাঙ্গা রেডিও, টুইনওয়ান, টেলিভিশন, লাইট ইত্যাদিই ছিল প্রিয় খেলার সাথী।
সিগারেটের প্যাকেটে থাকা এ্যালুমিনিয়ামের কাগজ ছিল এক সময় সপ্তম আশ্চর্য্য, রাস্তায় রাস্তায় তাই খুঁজতাম। পেন্সিল ব্যটারী, বাতি আর সিগারেটের সেই কাগজ! নিজেকে বিজ্ঞানী বিজ্ঞানী মনে হতো।
হান্নান চাচার ওয়ার্কশপ থেকে বাবা একটা অক্ষয় রিক্সা বানিয়ে দিয়েছিলেন দুই সিটওয়ালা। বন্ধুদের সাথে চ্যালেঞ্জ ধরে রিক্সা চালাতাম একই দাগে বারবার।
মেয়েরা থাকলে খেলাগুলো হয়ে উঠতো ওদের অনুকূলে, গোল্লাছুট, বউচি, কানামাছি, এক্কাদোক্কা, ইত্যাদি।
আরেকটা খেলার নাম মনে করতে পারছি না, যেটাতে একজনের চোখ হাত দিয়ে বন্ধ রেখে নিজ দলের খেলোয়াড়দের ছদ্মনাম ডাকা হতো এভাবে- আয়রে আমার টিয়া।
তখন টিয়া এসে চোখ বন্ধ যার তার কপালে টোকা দিয়ে যেত।তো এক্কাদোক্কা খেলার অনেকগুলো ধরন আছে (অঞ্চলভেদে) আমরা দুটো খেলতাম, তার মধ্যে একটি ছিল এমন-
আকাশের দিকে তাকিয়ে খেলোয়াড় ঘরগুলো পার হতো আর বলতো “আছি? আছি? আছি?”জীবনের এই সময়টাতে এসে যেন এক্কাদোক্কা খেলছি সময়ের সাথে, আকাশের দিকে তাকিয়ে মাটিতে পা ফেলছি আর বারবার জিজ্ঞেস করছি-
আছি? আছি? আছি?
-
বঙ্গভূমি
আজব আমার বঙ্গভূমি, আহা কী বেশ!
যাকে চিনি না, বলে দিলাম সে নিরুদ্দেশ। -
তুমি আসবে কি?
কোন একদিন খুব ভোরে চিটাগাং, রাজশাহী বা খুলনার কোন এক অখ্যাত রেষ্টুরেন্টে বসে চেকইন দিব।
ক্যাপশনে লেখা থাকবে “তুমি আসবে কি?” -
ফেরীওয়ালা
আদেলের ইচ্ছা ছিল ফারিহাকে নিয়ে একটা বুটিক শপ দিবে, শ্যুটিং-শাটিং সব ছেড়ে দিয়ে একান্ত নিজেদের একটা জগত বানাবে।
পিজু আর হাসিবের কাছে ফিরে আসে নি, সে এখন কেএফসির একটা ফ্রাঞ্চাইজির মালিকের সাথে ঘর করছে, ঐ দিকে হাসিব এখন পাড়ার মোড়ে একটা পিঁয়াজুর দোকান দিয়েছে। দোকানের আসল কাষ্টমারেরা (ইথান, উজ্জল, পিয়াল প্রমুখ) পিঁয়াজু খেয়ে টাকা দেয় না কখনো, আসলে এটা পিঁয়াজুর দোকান হলেও মূল ব্যবসা অন্য কোথাও।
আদেল এখন আর শ্যুটিং করে না, মেলায় মেলায় সেই ভাঙ্গাচুরা বন্দুকটা নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। পোলাপাইন ১০ টাকায় ১২টা বেলুন টার্গেট করার চান্স পায়; ব্যবসাটা খারাপ না, প্রতিদিন কতশত রমনী এখন ওর সামনে এসে দাঁড়ায়! কোন কোন রমনী যখন একটাও টার্গেট করতে পারে না তখন আদেল এক্সট্রা গুলি দিয়ে নিজে হাতে ধরে শ্যুট করা শেখায়।
তখন সে জ্যাক আর রোজ! এর কথা কল্পনা করে।
আর আমি!
আমি এখনো স্বপ্ন ফেরী করে বেড়াই-
স্বপ্ন নেবে স্বপ্ন
হরেক রকম স্বপ্ন আছে
স্বপ্ন নেবে স্বপ্ন !
লাল স্বপ্ন নীল স্বপ্ন কাঁচা হলুদ রঙের স্বপ্ন
পাথর চাপা সবুজ ঘাসের সাদা স্বপ্ন,
আলোর মাঝে কালোর স্বপ্ন
‘মালটি-কালার’ স্বপ্ন আছে
স্বপ্ন নেবে স্বপ্ন। -
ঠিকানা পাইল কই!
বাসায় যাইতেছি, আমার সামনে সামনে একটা মেয়ে হাঁটতেছে;
সে যে দিকে মোড় নেয় আমিও ঐ দিকেই মোড় নেই।সে ভাবছে আমি তাকে ফলো করছি কেন?
আর আমি ভাবছি মেয়েটা আমার বাসার ঠিকানা পাইল কই! -
মীরজাফর
বাংলার ৯৯% মানুষই মীরজাফর, কেউ ভারতের সাথে আর কেউবা পাকিস্তানের সাথে আঁতাত করে।
-
আর্তচিৎকার
নেকড়ের দল একটা ভেড়াকে ঘিরে রেখেছে, ভেড়ার অপরাধ সে নেকড়েদের আস্তানায় হামলার পরিকল্পনা করছিল।
পাশ দিয়ে একদল ভেড়া চলে যাচ্ছে বাসায়, আটক ভেড়া বলছিল আমি ও রকম কোন পরিকল্পনা করি নি।কিন্তু নেকড়ের পাল এতো শব্দ করছিল যে ভেড়ার পালের কানে সেই আর্তচিৎকার পৌঁছায় নি, দুয়েকটা ভেড়া ঐ শব্দ শুনতে পেলেও মনে মনে বললঃ ধ্যাৎ! আমার কী!
কয়েকদিন পরের ঘটনাঃ যে ভেড়াগুলো ধ্যাঁত বলে চলে গেছিল, তাদের একটাকে ঘিরে রেখেছে নেকড়ের দল। তার অপরাধ, সে নেকড়েদের আস্তানায় হামলার পরিকল্পনা করছিল।
কয়েকদিন পর পর একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতেই থাকলো আর…
-
পর্তুগীজ মেয়ে
সবুজ রঙ এর চা যদি লাল হয়ে যেতে পারে;
পর্তুগীজ মেয়ে, তুমি কেন আমার হবে না!