Blog

  • গাহি সাম্যের গান

    সাদামাটা কথায় কবিতা হয় না…
    আর দুর্বোধ্য কবিতা শিহরণ জাগাতে পারে না…
    তাই সহজ ভাষায় বলি-
    গাহি সাম্যের গান…
    অধর্ম কবে এনেছে শান্তি…?
    এক করেছে হিন্দু-মুসলমান…?
    চিনবে সে কেমনে শান্তির পথ…
    যে শোনে নি বেদবাণী…
    পড়ে নি যে পাক কোরআন…

  • বিশ্ব শান্তি

    একদিন তুমি আমায় ঘুম পাড়াবে
    ঘুমোবো আমি নিভৃতে,
    বুকের পরে রাখবে মাথা
    বিশ্ব শান্তি তৃপ্তিতে।
    আজকে আমার ঘুম হয়না
    তুমি যে নেই দৃষ্টিতে,
    একদিন; বুকের পরে রাখবে মাথা
    বিশ্ব শান্তি তৃপ্তিতে।
    একদিন আমি রাত্রি জাগবো
    তোমার মুখটিই দেখিতে,
    বুকের পরে রাখবে মাথা
    বিশ্ব শান্তি তৃপ্তিতে।
    আজকে আমি চমকে উঠি
    তোমার মুখটি স্বপ্নেতে,
    একদিন; বুকের পরে রাখবে মাথা
    বিশ্ব শান্তি তৃপ্তিতে।

  • বৈষম্য

    আমাদের নাটক, সিনেমাগুলাতে যখন আগে পুরুষ আর পরে নারীদের নাম দেখায়, তখন সংস্কৃতি পাড়ার নারীবাদীরা কোন চুল ফালায়?

  • ধ্বংস

    বার্লিন দেয়ালের মত ধ্বংস করে ফেলব একদিন তোমার হৃদয়ের কঠিন দেয়াল।

  • রাজনীতিতে আদর্শ বলে কিছু নেই

    রাজনীতিতে আদর্শ বলে কিছু নেই, যারা আদর্শের বুলি আওড়াচ্ছেন তারা ধান্দবাজ।

  • বিরহের গল্প

    বাতি নিভিয়া যাইবার পূর্বে দপদপ করিয়া কয়েকবার স্ফুলিঙ্গ ছড়াইবার ন্যায় মেয়েটা বার কয়েক ফিরিয়া তাকাইলো… অতপর দু’জনের ভিন্ন পথে গমনের সহিত শেষ হইল একখানা বিরহের গল্প।

  • আদালত

    আদালত যে একটা অপ্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান তা হুমায়ুন আহমেদ থাপ্পড় মেরে দেখান কোথাও কেউ নেই নাটকে, আর জুতা মেরে দেখান আলাউদ্দিনের ফাঁসি নাটকে।

  • নষ্ট – আদালত

    পৃথিবীর সবচেয়ে নষ্ট জায়গা হলো আদালত, যেখানে মিথ্যা বলা বৈধ।

    তাই আমি আদালতকে কিছুতেই বিশ্বাস করি না, সেটা কানাডার হোক বা বাংলাদেশেরই হোক।

  • আমি কী কী কারনে নজরুলে বিদ্বেষী

    এ দেশে নজরুল বিদ্বেষীর অভাব নেই, কিন্তু নজরুলে বিদ্বেষী হওয়ার কারন কী অনেকে তাই খুঁজে পাচ্ছে না? আসুন দেখে নিন আমি কী কী কারনে নজরুলে বিদ্বেষী।।

    ১) আমি যখন খাঁটি মুসলমানঃ লোকটা কাফের, নইলে কি আর হিন্দু মহিলারে বিয়ে করতো? শ্যামা সঙ্গীত, কৃষ্ণকে নিয়ে গান, নিজের ছেলের নাম কৃষ্ণ রাখত?

    ২) আমি যখন খাঁটি হিন্দুঃ ওরে, মুসলমানের ব্যটা মাকে নিয়ে গান করেতো মায়ের জাতটাই খুইয়ে দিলো গো…

    ৩) আমি যখন নাস্তিকঃ
    খাটি ধর্মান্ধ, ইসলামী সঙ্গীত কি কখনো শান্তি আনতে পারবে? নাকি শ্যামা সঙ্গীত পারবে?
    এসব করে লোকটা নিজের দুই নাম্বারীই প্রমান করেছে।

    ৪) আমি যখন বাংলাদেশীঃ ওতো ভারতীয়, বাংলাদেশেতো ওর বাড়ী না। আমরা হুদাই ওরে নিয়া বাড়াবাড়ি করি ক্যান?

    ৫) আমি যখন ভারতীয়ঃ ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি, আমাদের কী?

    ৬) আমি যখন রবীন্দ্রভক্তঃ ও ছোড়া কি লিখতে পড়তে জানতো নাকি? গুরুজির কয়েকটা লেখা চুরি করে নিজের নামে ছাপিয়েছে।

    ৭) আমি যখন রবীন্দ্র বিদ্বেষীঃ শুনেছি রবীন্দ্রনাথের সাথে নাকি নজরুলের খুব ভাব ছিল, দুইটাই বজ্জ্বাতের হাড্ডি।

    ৮) আমি যখন নারী বিদ্বেষীঃ হালায় কয় কি! পৃথিবীর অর্ধেক নাকি নারী বানাইছে? পাগল না হইলে এমন কথা কেউ কয়?

    ৮) আমি যখন নারীবাদীঃ নার্গিসকে বিয়ে করেও অধীকার দেয় নাই, শুধু তাই না তার অনুমতি ছাড়াই সে প্রমীলাকে বিয়ে করেছে।

    ৯) আমি যখন ব্রিটিশঃ হালায় আমগোর বিরুদ্ধে কবিতা লিখছে, জেলে ভর হালারে।

    ১০) আমি যখন ব্রিটিশ বিদ্বেষীঃ হালায় বৃটিশের পক্ষ হইয়া যুদ্ধ করছে, খাঁটি বৃটিশ।

    ১১) আমি যখন আওয়ামীলীগঃ জামায়াতের এজেন্ট, জামায়াতের সব অনুষ্ঠানেই ওর গান বাজে।

    ১২) আমি যখন বিএনপিঃ জয় বাংলাতো মুজিবরে এই হালায়ই শিখাইছে, হালায় খাঁটি আওয়ামীলীগ।

    ১৩) আমি যখন ধনী শ্রেণির লোকঃ লোকটা দারিদ্র নিয়া লিখছে, আমগোরে নিয়া কিছু লেখে নাই।

    ১৪) আমি যখন দরিদ্রঃ ফাইজলামী করে! দারিদ্র মহান বানাইছে? ঐ একবার আইয়া দেখ আমার ঘরে… কত কষ্টে দিন কাটে।

    ১৫) আমি যখন ছাত্রঃ এই হালারে এতো কঠিন কথা লিখতে কে কইছে? কিচ্ছু বুঝি না।

    ১৬) আমি যখন বাসের হেলপারঃ এই লোকটা “আমরা হেলপারের দল” নামে কোন কবিতা লিখতে পারতো না? তাইলেতো প্রতিদিন ছাত্রদের হাতে মাইর খাইতে হইতো না। ওর কবিতার জোরেইতো ছাত্ররা ৪ টাকার ভাড়া ২ টাকা দেয় আবার মাইরও দেয়।

  • প্রত্যেকটা গল্পের শেষ বিরহেই

    প্রত্যেকটা মানুষ চায় গল্পের শেষটা হোক আনন্দময়…
    কিন্তু মিলনেই কি গল্প শেষ হয় কখনো?
    মানুষ মরণশীল, তাই আমার কথাটি বেদবাক্যের মত মেনে নিন…
    “প্রত্যেকটা গল্পের শেষ বিরহেই”।