তোমারে ভুলিয়া সখি,
প্রতিশোধ নিবো আমারে ভুলিবার।
তোমারে ভুলিয়া সখি,
প্রতিশোধ নিবো আমারে ভুলিবার।
এই মন খারাপের রাতে
আজ আর কোন কবিতা নয়।
তোমাকে দেবী ভেবে পুজো দিতে গিয়ে দেখি
তুমি মানবী,
তোমাকে মানবী ভেবে ঘর বাঁধতে গিয়ে দেখি
তুমি ছবি,
তোমাকে ছবি ভেবে দেয়ালে টাঙ্গাতে গিয়ে দেখি
তুমি কেবলই আমার মনের কল্পনা।
যে আমাকে বোঝেনি কখনো,
যে আমাকে কোন নাম দেয়নি,
তার ভালোবাসা তো গৃহে পোষা রাতের বৃক্ষের মতো।
যে অক্সিজেন দেয়ার বদলে নেয়।।
সখি,
দিনের আকার কেমন?
পৃথিবীর মতো ডিম্বাকার?
চাঁদের মতো নীলাকার?
তোমার মতো প্রেমাকার?
নাকি আমার মতো এব্রোথেব্রো?
পরশ পাথর হতে গিয়ে হয়ে গেছি একুয়া রেজিয়া,
যা কিছু দামী, সবই নষ্ট হয়ে যায় আমার স্পর্শে।
#দশকিয়া #দ্বিপক্ষ #একুয়ারেজিয়া #একুয়া #রেজিয়া #পরশ #পাথর #পরশপাথর #স্পর্শ
প্রিয়তমেষু,
তুমি এখনো ‘প্রিয়তমেষু’ আছো নাকি পদ্মার ভাঙ্গনে হঠাৎ যেমন গেরস্ত বাস্তুহীন হয়, আমিও তেমন প্রিয়তমেষুহীন প্রাক্তন হয়ে গেছি?
– শিরোনামহীন কোন এক প্রাক্তন।
#প্রিয়তমেষু #পদ্মা #প্রাক্তন #শিরোনামহীন
ভুট্টোর প্রেতাত্মা ঘুরে বেড়ায় বঙ্গে,
ইয়াহিয়া-আইয়ুব খান ঘোরে তার সঙ্গে।
এই দেশ ত্যাগ করতে চায় ১৬ কোটি ৫১ লক্ষ জনগনই, সুযোগের অভাবে মুসলমানরা এই দেশ ত্যাগ করতে পারছে না।
হিন্দুদের সুযোগ আছে ভারতে যাওয়ার, কিন্তু ১৫ কোটি মুসলমানকে ঠাঁই দিবে এমন রাষ্ট্র কই?
একটা ব্যাঙ ধরা পড়েছে সাপের মুখে, কিন্তু সাপটা ঠিক মতো কামড় বসাতে পারে নি। অবস্থা এখন এমন, যদি সে ব্যাঙটাকে ছেড়ে দিয়ে ভালো করে ধরতে চায়, তাহলে ব্যাঙ পালিয়ে যাওয়ার যথেষ্ট সময় পাবে।
এমতাবস্থায় দু’জন ওভাবেই মধ্যবর্তী অবস্থানে পড়ে থাকে, একজন পথিক যখন পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন দু’জনই তার কাছে সমাধান চাইলে তিনি-
সাপকে বললেন – খাইতে চাইলে ছাড়ো।
আর ব্যাঙকে বললেন – বাঁচতে চাইলে মরো, অর্থাৎ এমন ভান করো যেন তুমি মারা গেছো, তাতে সাপ বিভ্রান্ত হয়ে তোমাকে ছেড়ে দিবে ভালো করে ধরার জন্য।
আওয়ামীলীগ সরকার বরাবরই ছেড়ে দিয়ে আষ্টেপৃষ্টে গিলে থাকে, জাতীয় নির্বাচনের আগে তারা উপজেলা কিংবা সিটি নির্বাচনে বিরোধীদের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি আসনে বিজয়ী করে দেয়।
ইনুকে খেয়ে দেয়ার আগে মন্ত্রী বানায়, ইমরানকে খেয়ে দেয়ার আগে জামাই বানায়, হেফাজতকে খেয়ে দেয়ার আগে পীর বানায়।
তার বিপরীতে বিরোধীরা মরতে পারছে না।
চা শ্রমিক আন্দোলনে ১২০ টাকা থেকে ১৪৫ টাকায় তুলে দিয়ে বাগান মালিক ও সরকার ছেড়ে দিলো আষ্টেপৃষ্টে ধরবে বলে, এখন প্রশ্ন হলো শ্রমিকরা মরতে পারবে কি?
বাংলাদেশে বাস করেন অথচ এন্টিবায়োটিক খান নাই এমন মানুষ নাই বললেই চলে, এন্টিবায়োটিক হচ্ছে ঐ পথিকের ব্যঙকে দেয়া পরামর্শ, বাঁচার জন্য নিজেকে দূর্বল করে প্রতিপক্ষকে বিভ্রান্ত করা।
আশা করি বাংলাদেশের মালিকানা ভারত ও আওয়ামীলীগের থেকে জনগন নিজের কাছে ফিরিয়ে আনবে, বাগানের মালিকানাও বাগানির হাতে আসবে।