Category: স্ট্যাটাস

  • নিষিদ্ধ গন্ধম

    আমি সেই নিষিদ্ধ গন্ধম, আমাকে খেলেই তুমি স্বর্গ থেকে উচ্ছেদ হবে।

    তাই আমাকে খাওয়ার কু-মন্ত্রণা দিবে ইবলিশ, সখি তুমি ইবলিশের কু-মন্ত্রণা থেকে মুক্ত থাকো। আমাকে দেখা মাত্রই বলবে-

    আউজু বিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রাজিম

    #ইবলিশ #উচ্ছেদ #গন্ধম #নিষিদ্ধ #শয়তান #সখি #স্বর্গ

  • ফ্যান

    শহরের সবচেয়ে হাবাগোবা মেয়েটাও ইমরান হাসমির ফ্যান।

  • অদ্ভূত

    অদ্ভূত ঘটনা গোটা পৃথিবীতেই ঘটে, যেমন আলেকজান্ডার, তৈমুর কিংবা চেঙ্গিসদের মত কুৎসিত মানুষদের পৃথিবী ‘বীর’ বলে সম্বোধন করে।

  • সার্টিফিকেট

    একাডেমিক সার্টিফিকেট কিছু না, রবীন্দ্রনাথ-আইনস্টাইন পড়ালেখা না করেই হ্যান করেছেন-ত্যান করেছেন এইসব গত শতাব্দীর শান্তনা বানী এই শতাব্দীতে দিবেন না দয়াকরে।
    এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স, মাষ্টার্সের সার্টিফিকেটের বোঝার সাথে বেকারত্বের বোঝা মাথায় নিয়ে আত্মহত্যার চেয়ে এইচএসসিতে আত্মহত্যাই উত্তম, এসএসসিতে কিংবা জেএসসিতে করা সর্বোত্তম বলে মনে করি।
    বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্র হবে, তবে মানুষ থাকবে দরিদ্র।
    শতভাগ শিক্ষিত হবে, তবে চাকুরীর বাজারে টিকবে না।
    নারীর ক্ষমতায়ন হবে, কিন্তু ধর্ষণ কমবে না।
    গ্রামগুলো সব শহর হয়ে যাবে, কিন্তু মানুষগুলো খাবার পাবে না।

  • গালিবের নরক বাস

    গালিব যখন স্বর্গে যেতে অস্বীকার করলেন, ঈশ্বর রেগে গিয়ে একজন অপ্সরীকে বললেন এটাকে নরকে ফেলে রেখে আসো।
    গালিব পরক্ষনেই আবিষ্কার করলেন খুবই শীতল একটা জায়গায়, নিজের পরনে বস্ত্র বলতে একখানা নেংটি।
    মৃত্যুর পূর্বে ব্রিটিশদের অধীনস্থ ছিলো ভারতবর্ষ, সেই সুবাদে অল্প-স্বল্প ইংরেজ ভাষা শিখেছিলেন গালিব। কোন এক বন্ধুকেও পরামর্শ দিয়েছিলেন ছেলেকে ইংরেজি শেখানোর। সামনে একটা ইংরেজি সাইনবোর্ড দেখলেন জ্বলছে-নিভছে, সেখানে কী যেন একটা গণনা করা হচ্ছে। গালিব বুঝতে পারলেন নরকে এখন ২০২০ সাল আর এখানকার দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী, সম্ভবত বেশীরভাগ নরকবাসী ইংরেজ হওয়ায় এই ব্যবস্থা।
    ভালো করে খেয়াল করে বুঝলেন নরকের এই অংশের নাম উগান্ডা, কিছু কিছু সাইনবোর্ডে উগান্ডার ভাষায়ও লেখা রয়েছে।
    দেখতে দেখতে চারিদিক আলোকিত হতে শুরু করলো, গালিব দেখলেন যেভাবে ধর্মগ্রন্থগুলোতে বলা হয়েছিলো, তেমনই শীতের পর এবার গনগনে সূর্যের তাপে কষ্ট দেওয়া হচ্ছে। গালিবের কাছে নরকের সূ্র্য্যকে পৃথিবীর সূর্য্যের চেয়ে অতোটা কঠিন মনে হয় নি, বরং শুরুর দিকে বেশ ভালোই লেগেছিলো।
    কিন্তু গালিব খুব অবাক হলেন, তাঁকে এমন স্পেশাল নরকে কেন পাঠানো হলো, আশেপাশে তো খুব একটা নরকবাসী নেই। পথের কিনারায় যাও দু-চার জনকে দেখা যাচ্ছে, তাদের গায়ে জ্বরাজীর্ণ কাপড়-চোপড় দেখা যাচ্ছে। গালিবের ধারণা ছিলো নরকে সবাই উলঙ্গ থাকবে, সূর্য্যের তাপে তো কাপড় থাকলেও তা গলে যাওয়ার কথা।
    হুট করে গালিব বিশাল একটা শব্দে চমকে উঠে তাকিয়ে দেখলেন সামনে কী যেন একটা প্রচন্ড গতিতে ছুটে আসছে। ভালো করে খেয়াল করে দেখলেন এ তো ব্রিটিশ রেল! সামনে বড় করে ব্রিটিশ রেলওয়ের নামের আদ্যাক্ষর লেখা “BR”, আরো ভালো করে তাকিয়ে দেখলেন তিনি রেলওয়ের উপর দাঁড়িয়ে আছেন। ক্ষনিকের জন্য রেল চাপা পড়েন নাই। ব্রিটিশদের কথা চিন্তা করে অবাক হয়ে গেলেন, হারামিগুলো নরকেও এতো কিছুর ব্যবস্থা করে ফেলেছে!
    হাঁটতে হাঁটতে এক অপ্সরীর সাথে দেখা, অপ্সরী হুদাই বাগিচায় দৌঁড়-ঝাপ করছে, দূরে আরো জনা কয়েক অপ্সরী-গিলমান চক্রাকারে দৌঁড়াচ্ছে।কোন কিছু বুঝতে পারছে না গালিব, নরকে তো বাগিচা থাকার কথা না! তাহলে কী নরকের অপ্সরী আর গিলমানদের জন্য বাগিচার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে? বিষয়টা বুঝতে গালিব অপ্সরীকে জিজ্ঞেস করলেন “তুম লোগ কিয়া করতা হায়?”।
    অপ্সরী তো রেগে মেগে আগুন হয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে দিলো। পাকি, জামাত, শিবির আরো কী সব বলছে গালিব তার তেমন কিছুই বুঝলেন না। অপ্সরী এক সময় চিৎকার করে বাকীদের ডেকে বললেন পাকড়াও উছকো, ইয়ে পাকিকো পাকড়ো। এবার গালিব বুঝলেন কপালে বিপদ, দৌঁড় লাগাতে হবে।
    পিছন থেকে শুনতে পেলেন দূর থেকে দৌঁড়ে আসা বাকী অপ্সরী-গিলমানেরা বলছে হোয়াট হ্যাপেন্ড খুশী আপা! হোয়াট দ্যাট ম্যাড হ্যাভ ডান? এর অর্থ কী তা বোঝার চেয়ে দৌঁড়ানোই ভালো মনে করে গালিব দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে পড়লেন আরেক অপ্সরীর সামনে।
    এই অপ্সরীার সাথে আবার হরেক রঙ এর পোষাক পরা অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত কিছু গিলমান।
    গালিবকে থামিয়ে অপ্সরী বললেন- কী হে পাগলা, তোর মাস্ক কই? আর এই লকডাউনে বাইরে বের হইছিস ক্যান?
    দে, ১০ হাজার টাকা জরিমানা দে।
    গালিবের তো মাথায় হাত!
    প্রথমতঃ জরিমানার টাকা কই পাবো! মরার আগে ভারত দখল করে নিলো ব্রিটিশরা, নিঃস্ব-অসহায় অবস্থায় যেখানে মারা গেলাম সেখানে ১০ হাজার টাকা সঙ্গে থাকার তো প্রশ্নই ওঠে না! আর যদি নবাবী আমলেও মারা যেতাম, ঈশ্বরের নিয়ম মানতে গিয়ে তো সেই শুন্য হাতেই কবরে ঢুকতাম, তাহলে এই নরকে জরিমানার ব্যবস্থা করেছে কোন আহাম্মক?
    স্বয়ং ঈশ্বর! নাকি নরকও পুরোপুরি বৃটিশরা দখল করে নিয়েছে? যদি বৃটিশরা দখল করে নিয়ে থাকে, তাহলে মীরজাফরি করলো কোন কোন ফেরেস্তা?
    দ্বিতীয়তঃ লকডাউন বা মাস্ক কী জিনিস!
    গালিবের ভাবনায় বাঁধা দিয়ে এক গিলমান বলে উঠলো, ম্যাম, ওর সাথে তো কিছুই নাই, দেখছেন না একটা নেংটি পরে আছে! ও টাকা দিবে কিভাবে?
    অপ্সরী গালিবের দিকে ভালো করে খেয়াল করে খচখচ করে কী যেন লিখলেন হাতের খাতায়।

    ————-
    তার ১ বছর পরের ঘটনাঃ
    ————-
    এক বছর নারকীয় জেল খাটার পর ছাড়া পেয়ে যখন গালিব জেল গেট থেকে বের হচ্ছে, ঠিক তখনই আবার ঐ অপ্সরীর সাথে দেখা। অপ্সরী গালিবকে বললেন- কী রে পাগলা, এই শাটডাউনে বাইরে বের হইছিস ক্যান? আর বাহির হইছিস ভালো কথা, কিন্তু মাস্ক কই?
    গালিব চিৎকার করে বললো- হে ঈশ্বর, আমার ষোড়শী প্রেমিকা চাই না, তোমার ঐ কোটি কোটি বছর বয়সী অপ্সরীই সই, দয়া করে আমাকে এই নরক থেকে স্বর্গে স্থানান্তরিত করো। আর যদি নরকেই রাখো তাহলে দয়াকরে রক্ষীদের বলো তারা আগুনে পোড়াক বা বরফে চুবাক, দয়া করে যেন ডিম দেয় না, কোনও ধর্মগ্রন্থে তো তুমি ডিম দেয়ার কথা বলো নাই।

  • আবুলের দেশে

    এতোদিন বেশ ভালই চলছিল কিন্তু সেদিন ছিল মফিজের জন্য কুফা, মফিজ ধরা খেয়ে গেল। মফিজের কুকীর্তির প্রমান স্বরুপ বেশ কিছু স্ক্রিনশট চলে এলো সোশ্যাল নেটওয়ার্কে।

    কয়েক ঘন্টার মধ্যে বেশ কয়েক জন মুখ খুললো। এতোদিন তারা মফিজ ও তার সিন্ডিকেটের কুকীর্তির শিকার হলেও স্বাক্ষী প্রমানের অভাবে প্রকাশ করতে পারছিল না।

    রাত ৮ টা ২৪ মিনিটে ফেসবুক সেলিব্রেটি আবুলের স্ট্যাটাস থেকে জানা গেলো আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টায় মফিজকে এলাকার চায়ের দোকান থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    পুলিশ সংবাদ সম্মেলনে জানায়, তাদের কাছে যথেষ্ট স্বাক্ষী-প্রমান আছে যে, মফিজ ঘুষ খায় না। সেই সাথে সে তার অন্যান্য কলিগদের ঘুষ না খেতে উৎসাহ দেয়।

    আমরা কাল মফিজকে আদালতে তুলবো, মাননীয় আদালতের কাছে তার ১২ দিনের ডিম থেরাপীর আবেদন করবো। আশা করি আমরা মফিজের মুখ থেকে বেশ চাঞ্চল্যকর তথ্য বের করতে পারবো।

  • বেওয়ারিশ

    ৩০২০ সাল, পুরো পৃথিবী এখন রোবটের হাতে, ঢাকা নামক শহরের আনাচে কানাচে রোবটের পাশাপাশি বাস করে কিছু বেওয়ারিশ মানুষ।

    তাদের অত্যাচারে একদল রোবট ‘রোবট বন্ধন’ করেছে “বেওয়ারিশ মানুষ হতে পরিত্রাণ চাই”।

    মেয়র সাহেব তখন সিদ্ধান্ত নিলেন ‘বেওয়ারিশ মানুষগুলোকে মেরে পুতে ফেলা হবে’, যদিও ৩০১৯ সালের আইনানুসারে তা দণ্ডনীয় অপরাধ।

    ঢাকা শহরে বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের প্রতিবাদে লেখা একটি ফিকশন।

  • রাষ্ট্র ও ধর্ম

    রাষ্ট্র নিজেই যেখানে ধর্ম, সেখানে রাষ্ট্রধর্ম একটি অপ্রয়োজনীয় আলোচনা।

  • অব্দোদ দেশ

    এতিমদের ২ কোটি টাকা খেয়ে একজন জেল এ, সেই এতিমদের কোটি কোটি টাকার চামড়া খেয়ে আরেকজন এখনো প্রধানমন্ত্রী।

    কী অব্দোদ একটা দেশ!

  • মমতাময়ী

    তুমি রাখলে পা, সাগর জল হয় মিষ্টি;
    তুমি ওগো মমতাময়ী খোদার সেরা সৃষ্টি।