সভাকবিকে লিখলাম- গুরু, পদক দেখালেই কি মুদিওয়ালা তেলের দাম ৮৬ টাকা রাখে? চালের দাম ১০ টাকায় খাচ্ছেন তো? নাকি বাজারে গিয়ে আমাদের মতো নিরীহ দোকানিদের গালমন্দ করে শুন্য হাতে ফিরে আসেন?
উপরোক্ত চিঠিখানার উত্তরে কবি লিখলেন- পাছা বিক্রী করে ঢের কামিয়েছি বাছা, চালের দর, তেলের দর হাজার ছাড়ালেও সমস্যা হবে না।
বস্তুতঃ বাংলাদেশের কোন জাতীয় কবি নাই, কিন্তু আপনি সারা জীবন জপে এসেছেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। যেমনটা গত ১২ বছর ধরে গণতন্ত্রের জপ করে আসছেন, আদতে এগুলো সবই গুজব মাত্র। বিশ্বাস না হলে খোঁজ নিয়া দেখেন।
আজকে অন্য এক প্রাক্তন এর গল্প, আমি লোকটাকে বিজনেস সাপোর্ট দিতাম।
এতে উভয়ের সিচুয়েশন বরাবর উইন-উইন ছিল, মাস শেষে উভয়ের ৪০-৫০ হাজার টাকা প্রফিট হচ্ছিল।
একদিন তাকে বুঝিয়ে বললাম কেন একজন পূর্ণ বয়স্ক, সুস্থ মানুষের নিয়মিত রক্ত দান করা উচিৎ। এরপর তার রক্তের গ্রুপ জেনে নিয়ে তাকে জানালাম রক্ত লাগলে তাকে যেন পাওয়া যায়।
কিন্তু যখন সত্যি রোগী পাওয়া গেল, তখন সে রক্ত দিবে না বলে জানিয়ে দিল।
আর, আমি তাকে জানিয়ে দিলাম এমন হারামিকে আমি সাপোর্ট দিব না।
বিগত ২-৪ হাজার বছরের ইতিহাস থেকে নিরীহ কোন ব্যক্তিকে পৃথিবী শাষণ করতে দেখা যায় না, তবু আমরা বিশ্বাস করি "স্রষ্টা আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন"।
বলি, এই পরীক্ষা কত শত কোটি বছরে শেষ হবে শুনি?
একাডেমিক সার্টিফিকেট কিছু না, রবীন্দ্রনাথ-আইনস্টাইন পড়ালেখা না করেই হ্যান করেছেন-ত্যান করেছেন এইসব গত শতাব্দীর শান্তনা বানী এই শতাব্দীতে দিবেন না দয়াকরে। এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স, মাষ্টার্সের সার্টিফিকেটের বোঝার সাথে বেকারত্বের বোঝা মাথায় নিয়ে আত্মহত্যার চেয়ে এইচএসসিতে আত্মহত্যাই উত্তম, এসএসসিতে কিংবা জেএসসিতে করা সর্বোত্তম বলে মনে করি। বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্র হবে, তবে মানুষ থাকবে দরিদ্র। শতভাগ শিক্ষিত হবে, তবে চাকুরীর বাজারে টিকবে না। নারীর ক্ষমতায়ন হবে, কিন্তু ধর্ষণ কমবে না। গ্রামগুলো সব শহর হয়ে যাবে, কিন্তু মানুষগুলো খাবার পাবে না।
এতোদিন বেশ ভালই চলছিল কিন্তু সেদিন ছিল মফিজের জন্য কুফা, মফিজ ধরা খেয়ে গেল। মফিজের কুকীর্তির প্রমান স্বরুপ বেশ কিছু স্ক্রিনশট চলে এলো সোশ্যাল নেটওয়ার্কে।
কয়েক ঘন্টার মধ্যে বেশ কয়েক জন মুখ খুললো। এতোদিন তারা মফিজ ও তার সিন্ডিকেটের কুকীর্তির শিকার হলেও স্বাক্ষী প্রমানের অভাবে প্রকাশ করতে পারছিল না।
রাত ৮ টা ২৪ মিনিটে ফেসবুক সেলিব্রেটি আবুলের স্ট্যাটাস থেকে জানা গেলো আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টায় মফিজকে এলাকার চায়ের দোকান থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সংবাদ সম্মেলনে জানায়, তাদের কাছে যথেষ্ট স্বাক্ষী-প্রমান আছে যে, মফিজ ঘুষ খায় না। সেই সাথে সে তার অন্যান্য কলিগদের ঘুষ না খেতে উৎসাহ দেয়।
আমরা কাল মফিজকে আদালতে তুলবো, মাননীয় আদালতের কাছে তার ১২ দিনের ডিম থেরাপীর আবেদন করবো। আশা করি আমরা মফিজের মুখ থেকে বেশ চাঞ্চল্যকর তথ্য বের করতে পারবো।