রমজানে ভালবাসতে নিষেধ নাই,
সখি চল, ভালবাসার পাঙ্খা উড়াই।
Category: নোট
-
নিষেধ
-
মমতাজ
প্রিয়মতেষু মমতাজ,
একনেক-এ কবে অনুমোদন হবে তোমার-আমার প্রেমের তাজমহল?
– জয় কল্যানীয়েষু -
বিশাখা
প্রিয়তমেষু বিশাখা,
প্রেমের সবগুলো শাখা বন্ধ করে দিয়েছি তোমার জন্য।
– জয় কল্যাণীয়েষু
সবাই তো রাধার প্রেমে মশগুল, রাধার সখিদেরও তো প্রেমের শখ থাকতে পারে…
আমি না হয় বিশাখার প্রেমেই সর্বস্ব জলাঞ্জলি দিলাম। -
বিশ্ব শান্তি
একদিন তুমি আমায় ঘুম পাড়াবে
ঘুমোবো আমি নিভৃতে,
বুকের পরে রাখবে মাথা
বিশ্ব শান্তি তৃপ্তিতে।
আজকে আমার ঘুম হয়না
তুমি যে নেই দৃষ্টিতে,
একদিন; বুকের পরে রাখবে মাথা
বিশ্ব শান্তি তৃপ্তিতে।
একদিন আমি রাত্রি জাগবো
তোমার মুখটিই দেখিতে,
বুকের পরে রাখবে মাথা
বিশ্ব শান্তি তৃপ্তিতে।
আজকে আমি চমকে উঠি
তোমার মুখটি স্বপ্নেতে,
একদিন; বুকের পরে রাখবে মাথা
বিশ্ব শান্তি তৃপ্তিতে। -
বিরহের গল্প
বাতি নিভিয়া যাইবার পূর্বে দপদপ করিয়া কয়েকবার স্ফুলিঙ্গ ছড়াইবার ন্যায় মেয়েটা বার কয়েক ফিরিয়া তাকাইলো… অতপর দু’জনের ভিন্ন পথে গমনের সহিত শেষ হইল একখানা বিরহের গল্প।
-
ফেরিওয়ালা
ভাবছি একটা দোকান দেবো…
আরে নাহ, হেলাল হাফিজের মত কষ্ট বিক্রী করতে কষ্ট কোথায় পাবো?
আমি কবিতার ভাঙ্গারী দোকান দেবো…ঝুড়িসহ তোমার দরজায় দাঁড়িয়ে চেঁচিয়ে জিজ্ঞেস করবো-
“আছে ভাঙ্গাচুড়া মন, পুরোনো কষ্ট, থেতলানো হৃদয়….?”প্রথমে ভিতর থেকে হেঁকে উঠলেও বারবার একই শব্দে বিরক্ত হয়ে দরজা খুলে
তুমি তোমার পুরোনো কষ্টগুলো ছুঁড়ে দেবে আমার ভাঙ্গারীর ঝুড়িতে…বিনিময়ে আমি তোমাকে দেবো নতুন একটা কবিতা…
তোমার দেয়া কষ্টের বিপরীতে কবিতাখানি কম মূল্যবান…
এই অভিযোগে তুমি বলবে-
“না থাক, বিক্রী করবো না।”আমিও তল্পিতল্পা গোছানোর সময় বলবো-
“ঠিক আছে আরও দুটো লাইন দিচ্ছি”তুমি বলবে-
“দুই লাইন না, যদি ছয় লাইন হয় তবে চলে”
আমি আশাহত হয়ে গোছানো শেষ করে যখন ফিরবো
তখন আবার বলবো-
“তোমারও কথা থাক, আমারটাও…
দুই লাইন আর ছয় লাইনের মাঝামাঝি চার লাইন দিচ্ছি”তুমি বিক্রী করতে রাজী হলে, আমি খুশি মনে ফিরে আসার সময় পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখবো
তোমার চোখে এখনো লোকসানের কষ্ট… -
নির্বাসন
তোকে পাবো না জেনেই সখি আমার স্বেচ্ছা নির্বাসন।
-
জাল
আজও জাল ভোট দিয়ে যাই সখি, শুধু তোমায় জেতাবো বলে।
-
জাতিস্বর
সখি, আগের জনমে কথা দিয়েছিলে এ জনমে আমার হবে; এ জনমেও আমার হলে কই!
-
তোমায় ভালবাসবো বলেই
আমরা একটা চায়ের দোকানে আড্ডা দিতাম, দোকানের বাম পাশের বাড়ীটার ছাদে একটা মেয়ে ঘুরঘুর করতো।
প্রেমে পড়তে চাই টাইপের এক্টিভিটিস, মোটামুটি সব যুবকেরই মনযোগ আকর্ষক।
এর বহু দিন পর রাস্তায় একটা মেয়ে আমাকে দাঁড় করিয়ে বললো “ওটা আমার কাজিন, আপুর দিকে তো নজর যায় ঠিকই, ডান পাশের বিল্ডিং এর ছাদে যে আমি আপনার দিকে তাকিয়ে থাকি সে দিকে নজর যায় না?”
আমি ঝটপট উত্তর দিলাম “আমি তো জানি ওটা তোমার আপু, তাই তো বড় আপু হিসেবে তাকাই।”
তার বহুদিন পর আমি বালিশে হেলান দিয়ে বসে আছি, মনি একটা বালিশ কোলে নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে, আমার হাতটা ওর মাথার উপর টেনে নিয়ে বলল “সত্যি করে বলো তো, তুমি আপুর দিকে তাকাতে না?”
আমি নির্দ্বিধায় বললাম “আমি তোমায় ভালবাসবো বলেই মানুষ হয়ে জন্মেছিলাম।”